kalerkantho

বুধবার । ২৯ জুন ২০২২ । ১৫ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৮ জিলকদ ১৪৪৩

কাউন্সিলরের সহযোগীদের বিরুদ্ধে শ্রমিক হত্যার অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি   

২৩ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগে নির্যাতনের সাত দিন পর হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় সুব্রত মণ্ডল জয় (২২) নামের এক হোসিয়ারি শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় মামলা হয়েছে। গতকাল রবিবার সুব্রত মারা গেলে বিকেলে নিহতের বড় বোন সম্পা মণ্ডল সদর মডেল থানায় মামলা করেন।

মামলায় ১১ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরো ১২ জনকে আসামি করা হয়। পরিবারের অভিযোগ, হত্যাকারীরা নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) ১৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান মনিরের অনুগামী।

বিজ্ঞাপন

মামলার আসামিরা হলেন সায়েম ওরফে ইয়াবা সায়েম (৩০), সাজিদ ভূঁইয়া (৩৬), নাইম উদ্দিন বাবু (৩৫), দোলন (২৫), আল আমিন (২৫), নোমান (২২),  প্রণয় (২২), রাকেশ (২০), সুদেব (৩২), অনিক রাজিব (২৬) ও মানিক (২৫)।

মামলার বাদী সম্পা মণ্ডল দাবি করেন, ‘১৬ মে রাত সাড়ে ১২টায় সায়েম নামের এক ব্যক্তি সুব্রতকে ফোন করে ডেকে গেটের সামনে নিয়ে যান। বাড়ির গেটের সামনে গেলে আসামিরা আমার ভাইকে জোরপূবর্ক মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যান। আসামিরা বাড়ির গেটের সামনে রাস্তায় সুব্রতকে ফেলে রেখে যান। রক্তাক্ত অবস্থায় অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তার শরীরে ধারালো অস্ত্রের ক্ষতবিক্ষত আঘাতসহ বাম হাতের তিনটি আঙুল কাটা ছিল।   বাম পায়ের হাঁটুর নিচে গুরুতর রক্তাক্ত কাটা জখম ছিল। চোখেও ছিল আঘাতের চিহ্ন। ’

তিনি জানান, তাত্ক্ষণিকভাবে সুব্রতকে চিকিত্সার জন্য নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার ডাক্তার তাঁকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে সেখানে আইসিইউ খালি না থাকায় সিদ্ধিরগঞ্জের প্রো-অ্যাকটিভ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়।

সম্পার অভিযোগ, ‘আমার ভাই জীবিত থাকতে পুলিশের কাছে অভিযোগ নিয়ে গেছি। কিন্তু তখন পুলিশ মামলা নেয়নি। প্রো-অ্যাকটিভ হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা যায় আমার ভাই। তারপর পুলিশ মামলা নিয়েছে। আসামিরা কাউন্সিলর মনিরের অনুগামী। ’

এ ব্যাপারে কাউন্সিলর দাবি করেন, ‘নির্বাচনে আমার পক্ষে অনেকেই কাজ করেছেন। কিন্তু কাউকে কোনো অপরাধে যুক্ত হতে বলিনি। অপরাধীরা সব সময়ই অপরাধী। ’

মামলা দেরিতে নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে সদর মডেল থানার ওসি আনিচুর রহমান মোল্লা বলেন, ‘মামলা নেওয়ার পর সকালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় সুব্রত মারা যান। এর আগে কী হয়েছে সেটা আমি জানি না। অপরাধী যে-ই হোক তাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে। ’

 



সাতদিনের সেরা