kalerkantho

সোমবার । ১৫ আগস্ট ২০২২ । ৩১ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১৬ মহররম ১৪৪৪

কক্সবাজার

তিন পর্যটকের মৃত্যুর ঘটনায় দুই মামলা

বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার   

২১ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কক্সবাজারে গত বুধবার পৃথক ঘটনায় দুই তরুণীসহ তিনজন পর্যটকের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় দুটি হত্যা মামলা হয়েছে। এসব ঘটনায় পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় লাবণী আকতার (১৯) নামের এক তরুণীর মৃত্যু হয়।

বিজ্ঞাপন

চার বন্ধুসহ ওই তরুণী গত ১১ মে কলাতলীর বিচ হলি ডে নামের একটি আবাসিক হোটেলে উঠেছিলেন। হোটেলে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

কক্সবাজার সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, অতিরিক্ত মদ্য পানে তরুণীর মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় পুলিশ ওই তরুণীর সঙ্গে আসা চার বন্ধুর মধ্যে দুজনকে আটকের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে অন্য দুই বন্ধু পলাতক।

সেলিম উদ্দিন জানান, এ ঘটনায় তরুণীর বাবা হত্যা মামলা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, তাঁর মেয়েকে কৌশলে কক্সবাজার এনে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

একই দিন বিকেলে কক্সবাজারের ইনানী সৈকতের আবাসিক রয়েল টিউলিপ হোটেলে আরেক তরুণী পর্যটকের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তাঁর স্বামী পরিচয় দেওয়া নাছির উদ্দিন (২৬) নামের এক যুবককে পুলিশ  জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে। রয়েল টিউলিপের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সকালে ওই তরুণী (২৩) ও নাছির উদ্দিন (২৬) স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে হোটেল ওঠেন। দুপুরে খাবার শেষে নিজেদের কক্ষে অবস্থান নেন দুজন। এর কিছুক্ষণ পর তরুণীর শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা হলে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে উখিয়া থানায় তরুণীর ভাই ছৈয়দুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা করেছেন বলে জানিয়েছেন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) গাজী সালাউদ্দিন। ছৈয়দুল মামলায় অভিযোগ করেন, প্রেমের সম্পর্কের জের ধরে তাঁর বোনকে কক্সবাজার নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

অপরদিকে একই দিন বুধবার দিবাগত মধ্যরাতে কক্সবাজার সাগরপারের সিগাল হোটেলে ওঠা পর্যটকের মৃত্যু ঘটে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে। মনিরুল ইসলাম (৪০) নামের ওই ব্যক্তি উর্মি নামের এক নারীকে নিজ স্ত্রী পরিচয়ে উঠেছিলেন ওই হোটেলে। রাতে অসুস্থতাবোধ করায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সেলিম উদ্দিন বলেন, মনিরুলের মৃত্যুর পর তাঁর প্রকৃত স্ত্রী ঢাকা থেকে কক্সবাজার এসে স্বামীর লাশ শনাক্ত করেন। উর্মিকে আটকের পর কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।



সাতদিনের সেরা