kalerkantho

সোমবার । ১৫ আগস্ট ২০২২ । ৩১ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১৬ মহররম ১৪৪৪

মোবাইল চোরচক্রের প্রধান আজিজসহ তিনজন গ্রেপ্তার

কমলাপুর স্টেশন ম্যানেজারের মোবাইলসহ ১৭টি মোবাইল উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কমলাপুর রেলস্টেশনের ব্যবস্থাপক মাসুদ সারওয়ারের কক্ষে চুরির ঘটনায় অবশেষে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের গুলশান বিভাগ। উদ্ধার হয়েছে চুরি হওয়া তাঁর মোবাইল ফোন।  

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন আজিজ মোহাম্মদ (৪৫), রনি হাওলাদার (৪০) ও জাকির হোসেন (২৫)। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিবির গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মশিউর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

বিজ্ঞাপন

ডিবি সূত্র জানায়, কমলাপুর স্টেশন ব্যবস্থাপকের কক্ষ থেকে মোবাইল চুরির ঘটনার ২৫ দিন পর তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় গত বুধবার চোরাই মোবাইলসহ চোরচক্রের প্রধান আজিজ মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে আজিজ স্বীকার করেন, তিনি সংবাদ সম্মেলন চলাকালে সুকৌশলে স্টেশন ম্যানেজারের ফোন ও ওয়ালেট চুরি করে পালিয়ে যান। তাঁর তথ্যের ভিত্তিতে রনি হাওলাদার ও জাকির হোসেন নামে তাঁর ঘনিষ্ঠ দুজনকে এরপর গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের কমলাপুর রেলওয়ে থানায় মোবাইল চুরির ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

ডিবি কর্মকর্তা বলেন, তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে কমলাপুর রেলস্টেশন, গুলিস্তান গোলাপ শাহ মাজারসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১৭টি উন্নতমানের চোরাই মোবাইল উদ্ধার করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে এসব ব্যক্তি ডিবিকে বলেছেন, আজিজ মোবাইল ফোন চুরি করে সেগুলো রনি হাওলাদার ও ফকিরাপুলের জাকিরের কাছে দেড় হাজার থেকে এক হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি করতেন। জাকির চোরাই মোবাইলগুলো কিছুদিন তাঁর হেফাজতে রেখে লক ভাঙা, আইএমইআই পরিবর্তন করে শহরের সাধারণ মানুষের কাছে ও বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে পাঁচ থেকে ১০ হাজার টাকায় বিক্রি করতেন। আজিজ বলেছেন, তিন বছর ধরে তিনি কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন, ঢাকা মেডিক্যাল, টিএসসি চত্বর, নগর ভবন, গুলিস্তান, ধানমণ্ডি লেক ও যাত্রাবাড়ীসহ বিভিন্ন স্থান থেকে সপ্তাহে আট থেকে ১০টি করে মোবাইল চুরি করতেন।

আজিজ একজন ‘কোরআনে হাফেজ’ জানিয়ে ডিবি কর্মকর্তা বলেন, তিনি ৩৩ বছর সৌদি আরবের বিভিন্ন নামকরা মসজিদের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ইমামতির পাশাপাশি গাড়ি চালাতেন। এরপর সৌদি আরবে গাড়ি চুরি করা শুরু করেন আজিজ। ২০১৫ সালে গাড়ি চুরির মামলায় সৌদি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তিনি। ওই মামলায় তিন বছরের সাজা ভোগ করে ২০১৮ সালে বাংলাদেশে ফেরেন।



সাতদিনের সেরা