kalerkantho

শনিবার । ২৬ নভেম্বর ২০২২ । ১১ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ ।  ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

কালবৈশাখীর তাণ্ডবে পাঁচ শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত

অভয়নগরে উড়ে গেছে বিদ্যালয়ের টিনের চালা

নীলফামারী ও অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি   

১৬ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কালবৈশাখীর তাণ্ডবে পাঁচ শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে গত শনিবার রাতে ঝড়ে উপড়ে পড়েছে গাছ। চাঁদখানা ইউনিয়নের কিশোরগঞ্জ-নগরবন্দ সড়ক থেকে গতকাল তোলা। ছবি : কালের কণ্ঠ

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় কালবৈশাখীতে পাঁচ শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। শনিবার মধ্যরাতে উপজেলার চাঁদখানা ও বাহাগিলি ইউনিয়নের ওপর দিয়ে ওই ঝড় বয়ে যায়। পৃথক ঘটনায় যশোরের অভয়নগরে ঝড়ে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষের টিনের চালা উড়ে গেছে।

এলাকাবাসী জানায়, নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ৮ থেকে ১০ মিনিটের ঝড়ে প্রায় পাঁচ শতাধিক কাঁচা ও আধাপাকা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়।

বিজ্ঞাপন

উপড়ে গেছে অসংখ্য গাছপালা। মাঠে থাকা পাকা ধান, ভুট্টা ও কাঁচা মরিচের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে চাঁদখানা ইউনিয়নের উত্তর চাঁদখানা সরঞ্জাবাড়ী, নগরবন্দ ও বাহাগিলি ইউনিয়নের উত্তর দুরাকুটি কারবালার ডাঙ্গা গ্রামের ওপর দিয়ে শক্তিশালী ঝড় বয়ে যায়।

চাঁদখানা ইউনিয়নের নগরবন্দ গ্রামের আমীর আলী জানান, মাত্র ১০ মিনিটের ঝড়ে অসংখ্য আধাপাকা ও কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। ভেঙে ও উপড়ে পড়েছে অসংখ্য গাছপালা।

বাহাগিলি ইউনিয়নের কারবালার ডাঙ্গা আশ্রয়ণ প্রকল্পের রুবেল হোসেন (৪৫) ও আমেনা বেগম (৪০) বলেন, ওই ঝড়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের আধাপাকা একটি ঘরের চাল উড়ে যায়। এ সময় সাত থেকে আটটি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেন, ‘ফসলের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠে কাজ করছেন। ’

সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানদের কাছে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা চাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবুল হাসনাত সরকার।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূর ই আলম সিদ্দিকী বললেন, ‘উপজেলার নদীপ্রবণ এলাকা দিয়ে শনিবার রাতে ওই ঝড় বয়ে গেছে। ঝড়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ক্ষতিগ্রস্ত ঘর সরকারি খরচে মেরামত করা হবে। ’

যশোর : অভয়নগরে শনিবার মধ্যরাতে কালবৈশাখীতে সিদ্ধিপাশা ইনস্টিটিউশন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের টিনের চালা উড়ে গেছে। এতে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি। মধ্যরাতে কয়েক মিনিটের ঝড়ে ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত না হলেও বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেণির পাঠকক্ষের টিনের চালা উড়ে যায়।



সাতদিনের সেরা