kalerkantho

বৃহস্পতিবার ।  ১৯ মে ২০২২ । ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৭ শাওয়াল ১৪৪৩  

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

আম পরিপক্ব হলেই পাড়া যাবে

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৫ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চাঁপাইনবাবগঞ্জে চলতি মৌসুমে ‘ম্যাংগো ক্যালেন্ডার’ বা আম পাড়ার সময়সীমা নির্ধারণ করেনি প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ। যেকোনো জাতের আমগাছে পরিপক্ব হলেই ফল পাড়া যাবে। তবে অপরিপক্ব আম পাড়লে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমে ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহারের প্রমাণ মিললেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজ্ঞাপন

গতকাল শনিবার বিকেলে জেলা প্রশাসক এ কে এম গালিভ খান ও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক (ডিডি) মো. নজরুল ইসলাম এসব সিদ্ধান্তের কথা জানান।

জেলা প্রশাসক বলেন, ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম দেশসেরা। এ মৌসুমে আমের ফলন কম হয়েছে। আম পাড়ার সময়সীমা নির্ধারণে চাষি ও বাগানি পর্যায়ে অনেক ক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব পড়ে। এ ছাড়া কোন গাছের আম কখন পাকবে তা-ও সব ক্ষেত্রে নিশ্চিত নয়। সব কিছু বিবেচনা করে এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেই এবার সময়সীমা নির্ধারণ না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলন কম হলেও এবার আমের নায্য মূল্য পাওয়া যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। তিনি বলেন, আমসংশ্লিষ্ট সবাই যেন স্বস্তি পায় সে জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করা হবে। এর মধ্যে সুষ্ঠু বাজারজাতকরণ, অনলাইনে আম বিক্রি, ‘ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন’ চালুর মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক বলেন, এ বছর জেলায় ৩৮ হাজার হেক্টর জমিতে তিন লাখ ১৫ হাজার টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ফলন কম হতে পারে। এর কারণ হিসেবে তিনি মুকুল কম আসা এবং বৈশ্বিক পরিবর্তনের প্রভাবের (আবহাওয়ার বিরূপ আচরণ) মতো কারণ অন্যতম বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, এ বছর আমের ‘অফ ইয়ার’। গত মৌসুমে আমের ‘অন ইয়ার’ ছিল এবং প্রচুর আম হয়েছিল। এ বছর আমের ফলন অনেক দেরিতে হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সময়সীমা নির্ধারণ করা না হলেও কেউ অপরিপক্ব আম পাড়লে ভোক্তা অধিকার আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গত শুক্রবার থেকে রাজশাহী এবং আগামী ২৫ মে থেকে নওগাঁর গুটি জাতের আম পাড়ার সময় নির্ধারণ করেছে সেসব স্থানের প্রশাসন। এর আগে দেশের বাজারে প্রথম সাতক্ষীরার আম আসে।



সাতদিনের সেরা