kalerkantho

রবিবার । ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১০ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ২৮ সফর ১৪৪৪

আনসার ও নির্বাচন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা

ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

১৪ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলা আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তা মো. সাইদুল ইসলাম এবং সদ্য বদলি হওয়া উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেছেন এক নারী। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে আরো দুজনকে আসামি করা হয়েছে গত বৃহস্পতিবার ফটিকছড়ি থানায় দায়ের মামলায়।

ফটিকছড়ি উপজেলার ঘটনায় অন্য দুই আসামি হলেন আনসার সদস্য এয়াকুব আলী ও গৃহকর্মী শিখা শীল। মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, উপজেলা পরিষদের পাশে ব্যাচেলর বাসায় ভাড়া থাকতেন আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম এবং উপজেলা নির্বাচন অফিসার হুমায়ুন কবির (বর্তমানে রামগড় উপজেলা নির্বাচন অফিসার)।

বিজ্ঞাপন

তাঁদের বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করতেন এক নারী। গত ২৭ মার্চ বিকেলে বাসায় কাজ আছে বলে অন্য গৃহকর্মী শিখা শীলের মাধ্যমে ওই গৃহকর্মীকে বাসায় ডেকে নিয়ে দুটি কক্ষে ধর্ষণ করেন সাইদুল ও হুমায়ুন। এ সময় এয়াকুব কক্ষের বাইরে পাহারায় ছিলেন।

ভুক্তভোগী গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, ধর্ষণে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে ভয় দেখানো হয় বিষয়টি কাউকে না জানাতে এবং লোভ দেখানো হয় টাকা দেওয়ার। পরে আনসার সদস্যদের সহায়তায় তাঁকে স্থানীয় একটি ফার্মেসিতে নিয়ে ওষুধ কিনে দিয়ে তাঁর বাসায় পৌঁছে দেওয়া হয়।    

তিনি জানান, ঘটনার পরই তাঁকে ঘর থেকে বের হতে দেওয়া হয়নি। আনসার সদস্যদের মাধ্যমে তাঁকে পাহারা দিয়ে রাখা হয়। এরই মধ্যে আনসার সদস্য মোহাম্মদ সেলিমের মাধ্যমে তাঁর চিকিৎসা বাবদ তিন দফায় ২২ হাজার টাকা পাঠান অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তা। তিনি বাসা থেকে বের হতে চাইলে দুই কর্মকর্তা তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। পরে তিনি তাঁদের সঙ্গে কৌশলে সমঝোতা করে বাসা থেকে বের হয়ে নাজিরহাটে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আলট্রাসনোগ্রাফিসহ অন্য চিকিৎসা করান। অসুস্থ শরীরেই ১১ মে দুপুরে গিয়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হোসাইন মো. আবু তৈয়ব ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জেবুন্নাহার মুক্তাকে বিষয়টি তিনি জানান। তাঁরা তাঁকে ইউএনও মো. সাব্বির রাহমান সানির কাছে নিয়ে যান। তাঁরা বক্তব্য শুনে তাঁকে আইনের আশ্রয় নিতে বলেন। বুধবার বিকেলে তিনি ফটিকছড়ি থানার ওসির কাছে মৌখিক অভিযোগ করেন।



সাতদিনের সেরা