kalerkantho

রবিবার । ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১০ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ২৮ সফর ১৪৪৪

খালের মুখে পাকা ঘর, উজিরপুরে বিক্ষোভ

আগৈলঝাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি   

১৪ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



খালের মুখে পাকা ঘর, উজিরপুরে বিক্ষোভ

বরিশালের উজিরপুরের হারতা বাজারের উত্তরপাড় থেকে আগৈলঝাড়া উপজেলার সঙ্গে সংযুক্ত সেনের খালের মুখ বন্ধ করে পাকা ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে (বাঁয়ে); ২০০ বছরের পুরনো খাল রক্ষায় শত শত মানুষ গতকাল রাস্তায় বসে প্রতিবাদ করে। ছবি : কালের কণ্ঠ

বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হারতা বাজারের উত্তরপাড় থেকে আগৈলঝাড়া উপজেলার সঙ্গে সংযুক্ত সেনের খালের মুখ বন্ধ করে পাকা ঘর নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে অহিদুল ইসলাম নামের এক স্থানীয় বাসিন্দার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার হারতা বাজারের ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ করে রাস্তায় বসে প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে মালামাল আনা-নেওয়ার জন্য খালটি নৌযান চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানান তাঁরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সেনের খালটি নৌপথে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

বিজ্ঞাপন

সম্প্রতি এই খালের মুখ বন্ধ করে পাকা ঘর নির্মাণ করছেন হারতা বাজারের একটি হোটেলের মালিক অহিদুল ইসলাম।

স্থানীয় ৭ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য নিখিল চক্রবর্তী, হারতা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি কৃষ্ণ বাড়ৈ, দীলিপ মল্লিক ও হারতা বাজার দক্ষিণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মিন্টু লাল মজুমদার জানান, সেনের খালটি প্রায় ২০০ বছরের পুরনো। এই খাল দিয়ে বাজারে কাঁচামাল, পাট, ধান, বাঁশের চটি আনা-নেওয়া করা হয়। শত শত ছোট নৌযান চলাচল করে এই খালে। নৌযান চলাচল বন্ধ হলে এই বাজারের ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর অপূরণীয় ক্ষতি হবে। খালটিতে পানি না থাকলে ইরি-বোরো ধান চাষ করতে পারবেন না কৃষকরা।

তবে খালের মুখ বন্ধ করে পাকা ঘর নির্মাণের কথা অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত অহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, এই ঘর আমি করছি না। আমার নাম ভাঙিয়ে রুবেল নামের এক ব্যক্তি ঘর করছেন।

হারতা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অমল মল্লিক বলেন, ‘সেনের খাল বন্ধ করে পাকাঘর তোলার খবরটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) জানিয়েছি। খাল রক্ষায় শত শত মানুষ রাস্তায় নেমে  প্রতিবাদ করছে। ’

উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারিহা তানজিন বলেন, খাল বন্ধ করে কোনো ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে না।



সাতদিনের সেরা