kalerkantho

বৃহস্পতিবার ।  ২৬ মে ২০২২ । ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৪ শাওয়াল ১৪৪

সিলেটে টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা

সিলেট অফিস   

১৪ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সিলেটে টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা

টানা বৃষ্টিতে সিলেট নগরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল ভোর থেকে দিনভর থেমে থেমে বৃষ্টিতে হাওয়াপাড়ায় অনেক বাসার ভেতরেও পানি ঢুকেছে। ছবি : কালের কণ্ঠ

ঘূর্ণিঝড় অশনির প্রভাবে সিলেটে কয়েক দিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। গতকাল শুক্রবার ভোর থেকে প্রায় সারা দিন বৃষ্টি হয়েছে। এতে সিলেট শাহজালাল উপশহর থেকে শুরু করে নগরের বিভিন্ন এলাকায় সড়ক ও ঘরবাড়ি জলমগ্ন হয়েছে। কোনো কোনো এলাকায় হাঁটুপানি, আবার কোথাও কোমর পানিতে ডুবে আছে।

বিজ্ঞাপন

এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে এসব এলাকার কয়েক হাজার মানুষ। হঠাৎ করে বাড়িঘরে পানি ঢোকায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অনেকে।

নগরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, শাহজালাল উপশহরের ১৩ ও ১৪ নম্বর সড়ক এবং সড়কের পাশের ঘরবাড়ি, সোবহানীঘাট, তের রতন, হাওয়াপাড়া, খাসদবীর, পাঠানটুলা এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। তবে সিটি করপোরেশনের উত্তর সুরমা এলাকার চেয়ে দক্ষিণ সুরমায় জলাবদ্ধতা বেশি হয়েছে। দক্ষিণ সুরমার মোমেনখলাসহ বিভিন্ন স্থানে বাড়িঘরে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে মানুষ। এ ছাড়া নগরের পাঠানটুলা এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে পথচারী ও যানবাহনগুলোকে। বৃষ্টির পানি ঢুকে সিএনজিচালিত অটোরিকশার মতো ছোট যানবাহন বিকল হয়ে গেলে পানি মাড়িয়ে ঠেলে নিতে দেখা গেছে অনেককে।

নগরের উপশহর এলাকার বাসিন্দা হাসিবুর রহমান বলেন, ‘বৃষ্টির পানিতে উপশহরের ১৩ ও ১৪ নম্বর সড়কের দুই পাশের বাসাবাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে। এখানে হাঁটুপানি হওয়ায় ফ্রিজ, ফার্নিচারসহ বিভিন্ন আসবাব ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ’ নগরের হাওয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও সংস্কৃতিকর্মী সাইমুম আনজুম ইভান বলেন, ‘হাওয়াপাড়া এলাকাবাসীর যেন জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে মুক্তি নেই। মাঝখানে নগর কর্তৃপক্ষ ড্রেন সম্প্রসারণসহ কিছু কাজ করানোর কারণে জলাবদ্ধতা কিছু কমে ছিল। এবার আবারও একই অবস্থা। ’

এসব বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান বলেন, ‘টানা বৃষ্টিতে নগরের বেশ কয়েকটি এলাকায়, বিশেষ করে দক্ষিণ সুরমায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে আমরা কাজ করছি। ’ এত উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার কাজের পরও জলাবদ্ধতা কেন—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘নগরের এই অংশে গাভীয়ার খালের কাজ শেষ হয়নি এখনো। এবার আগেভাগে বৃষ্টি শুরু হবে, সেটা আমাদের ভাবনায় ছিল না। অনেক জায়গায় বাঁধ দিয়ে ড্রেনের কাজ করতে হচ্ছে। সেগুলো আপাতত খুলে দেওয়া হয়েছে। আশা করছি কিছু উন্নতি হবে। ’ তিনি আরো বলেন, ‘নগর এলাকার কিছু কিছু জায়গা নদীর স্তর থেকে নিচু। যে কারণে টানা বৃষ্টির কারণে বেড়ে যাওয়া নদীর পানি হাওরের দিকে না গিয়ে নগরের নিচু এলাকাগুলোতে চলে আসছে। এ কারণে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। ’



সাতদিনের সেরা