kalerkantho

শনিবার । ২৫ জুন ২০২২ । ১১ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৪ জিলকদ ১৪৪৩

বাংলাদেশ-ভারত

দুই বছর পর চালু হলো সীমান্ত হাট

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

২৭ এপ্রিল, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত হাট কার্যক্রম দুই বছর পর আবার শুরু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বালাট (ভারতের মেঘালয়ের পূর্ব খাসি পার্বত্য জেলা)—লাউয়াঘরে (সুনামগঞ্জের ডালোরা) সীমান্ত হাট আবারও চালু হয়। গত ১৯ এপ্রিল যৌথ সীমান্ত হাট ব্যবস্থাপনা কমিটি এক সভায় এই হাট আবারও চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন জানায়, যৌথ সীমান্ত হাট ব্যবস্থাপনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১২ মে রিংকু (ভারতের মেঘালয়ের পূর্ব খাসি পাহাড়)—বাগানবাড়ি (সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার) সীমান্ত হাট চালু হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

এরপর ১৬ মে চালু হবে নালিকাটা (ভারতের মেঘালয়ের দক্ষিণ-পশ্চিম খাসি পাহাড়)—সায়দাবাদ (সুনামগঞ্জের তাহিরপুর) সীমান্ত হাট।

ভারতীয় হাইকমিশন জানায়, বর্তমানে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সাতটি সীমান্ত হাট আছে। আরো ৯টি নতুন সীমান্ত হাট চালু করার বিষয়ে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সীমান্ত হাটগুলো দুই দেশের মধ্যে একটি বাজার। এটি সীমান্তের উভয় পাশের স্থানীয় বাসিন্দাদের তাদের ‘স্থানীয় পণ্য’ বাজারজাত করতে এবং বেচাকেনার জন্য চালু করা হয়েছে। সীমান্ত হাট আন্ত সীমান্ত বাণিজ্য এবং জনগণের যোগাযোগে নতুন মাত্রা যোগ করছে। পর্যালোচনা এবং স্থানীয় সমীক্ষা অনুসারে, সীমান্ত হাটগুলো স্থানীয় জনগণের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেছে। বিশেষ করে, নারী এবং যুবকদের জন্য পণ্য পরিবহনকারী, বিক্রেতা, শ্রমিক এবং খাবারের স্টলের মালিক হিসেবে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ করেছে। এটি সীমান্ত এলাকার জনগণের আয়ের জন্য অতিরিক্ত উেস পরিণত হয়েছে। এ ছাড়া সীমান্ত হাটের জন্য মানুষে মানুষে সংযোগ বেড়েছে।

এই হাটে সীমান্তের দুই পাশের বাসিন্দারা স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত কৃষি ও উদ্যানজাত পণ্য, ক্ষুদ্র কৃষি ও গৃহস্থালির পণ্য, গৌণ বনজ পণ্য, তাজা ও শুকনা মাছ, কুটির শিল্পের জিনিসপত্র, কাঠের আসবাবপত্র, তাঁত এবং হস্তশিল্পের জিনিসপত্র ইত্যাদি পণ্য বিক্রি করার সুযোগ পান।

 



সাতদিনের সেরা