kalerkantho

শনিবার । ২০ আগস্ট ২০২২ । ৫ ভাদ্র ১৪২৯ । ২১ মহররম ১৪৪৪

সার্চ কমিটিতে এমপিদের চায় জাপা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৮ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নির্বাচন কমিশন গঠন (ইসি) নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার সংসদে বিল পাস নিয়ে আলোচনায় জাতীয় পার্টির (জাপা) সংসদ সদস্য ফখরুল ইমাম বলেন, সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদ সংশোধন না করে এই আইন করা হলে তা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে। এই আইনে প্রস্তাবিত সার্চ কমিটির সদস্য নির্বাচনে সংসদ সদস্যদের ভূমিকা রাখার বিধান যুক্ত করার দাবি করেন তিনি।

জাতিয় পার্টির শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদে ‘স্যাল’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। অর্থাৎ রাষ্ট্রপতিকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ নিয়েই কাজ করতে হবে।

বিজ্ঞাপন

আইনে না থাকলেও যেটি হবে তা হলো, অনুসন্ধান কমিটি ১০ জনের নাম প্রস্তাব করবে। সেই প্যানেল যাবে প্রধানমন্ত্রীর কাছে। তিনি পাঁচজন নির্বাচন করে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠাবেন। রাষ্ট্রপতি তাঁদের নিয়োগ দেবেন। তবে এটি যে অসাংবিধানিক, তা নয়। আইনটি প্রণয়ন ভালো উদ্যোগ অভিহিত করে জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, দেরিতে হলেও আইনটি হচ্ছে। অনেকে আইনটিকে তড়িঘড়ির কথা বলেছেন। কিন্তু এর আগে তো বলা হয়েছিল ১৫ দিনে এই আইন করা সম্ভব। তাহলে তড়িঘড়ির প্রশ্ন আসছে কেন? সার্চ কমিটির সদস্য সংসদ থেকে এলে বিতর্ক হতো না বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বর্তমান নির্বাচন কমিশন শতভাগ আমলানির্ভর উল্লেখ করে জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ‘বাংলাদেশে কি বিচারপতি ও আমলা ছাড়া বিশ্বাস করার মতো কেউ নেই? রাজনীতিবিদ বা সংসদ সদস্যদের কি বিশ্বাস করা যায় না? আওয়ামী লীগ এত বড় রাজনৈতিক দল; আপনারা বলেন আপনাদের জন্ম ক্যান্টনমেন্টে হয়নি, তাহলে আপনারাও কেন বিচারপতি ও আমলার ওপর নির্ভর করবেন?’ সাবেক সিইসি এ টি এম শামসুল হুদার বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, যে আমলা এরশাদ, বিএনপি, আওয়ামী লীগ—সব সরকারের আমলে আরামে চাকরি করেছেন, পরে চাকরি শেষে আবার পাঁচ বছরের জন্য সিইসি হয়েছেন। তাঁরা ওপরেরটা খান, নিচেরটাও খান। স্পিকারের মাধ্যমে মনোনয়নে দুজন সংসদ সদস্যকে সার্চ কমিটির সদস্য হিসেবে রাখার প্রস্তাব করেন তিনি।

জাপার রওশন আরা মান্নান বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোর চাহিদার প্রতি সম্মান দেখিয়ে সরকার এই আইনটি করছে। কিন্তু সংবিধানের ৪৮(৩) অনুচ্ছেদ রেখে কিভাবে আইনটি হবে জানি না। আলোচনা ছাড়া তাড়াহুড়া করে আইনটি পাস করলে দেশে আবারও অস্থিরতা সৃষ্টি হবে। আশ করব, স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বজায় রেখে সরকার সবার কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের নিয়ে ইসি গঠন করবেন। তাহলে দেশটি শান্ত থাকবে। ’



সাতদিনের সেরা