kalerkantho

শুক্রবার । ১২ আগস্ট ২০২২ । ২৮ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১৩ মহররম ১৪৪৪

মোবাইল নম্বর ক্লোন করে অর্থ হাতিয়ে নেন তাঁরা

♦ সহজ-সরল মানুষের এনআইডি দিয়ে সিমকার্ড নিবন্ধন
♦ মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্টসহ সাধারণ মানুষ তাঁদের টার্গেট

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৭ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ফরিদপুর ও মুন্সীগঞ্জ থেকে মোবাইল নম্বর স্পুফিং বা ক্লোন করে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হ্যাকারচক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। তাঁরা হলেন—নুরুজ্জামান মাতুব্বর (৩৫), সজীব মাতুব্বর (২১) ও সুমন শিকদার (৪৫)।

গত মঙ্গলবার থেকে গতকাল বুধবার পর্যন্ত র‌্যাব-৪-এর একটি দল ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানা ও মুন্সীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ২৪টি মোবাইল সিমকার্ড ও ১৩টি ফোনসেট জব্দ করা হয়।

বিজ্ঞাপন

গতকাল বুধবার কারওয়ান বাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-৪-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোজাম্মেল হক বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা মোবাইল ব্যাংকিং প্রতারণার মাধ্যমে এজেন্টসহ জনসাধারণের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। এই প্রতারকচক্রটি সাধারণত মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্টদের টার্গেট করত। কিছু কিছু ক্ষেত্রে তারা সাধারণ গ্রাহকদেরও প্রতারিত করত।

প্রতারণার কৌশল সম্পর্কে র‌্যাবের অধিনায়ক বলেন, চক্রের সদস্যরা কিছু অসাধু মোবাইল সিমকার্ড বিক্রেতার মাধ্যমে রিকশাচালক, ভ্যানচালক, খেটে খাওয়া সহজ-সরল মানুষের এনআইডি দিয়ে সিমকার্ড রেজিস্ট্রেশন করেন। এরপর তাঁরা সহজ-সরল মানুষকে টার্গেট করতেন। অ্যাপস ব্যবহার করে মোবাইল নম্বর ক্লোনিং করে নিজেকে মোবাইল ব্যাংকিং হেড অফিসের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে টার্গেট ব্যক্তিকে ফোন করতেন তাঁরা। এরপর কৌশলে তাঁর (বিশেষ করে এজেন্টদের) পিন কোড জেনে নিয়ে অ্যাকাউন্টটি নিজের দখলে নিতেন। পরে নম্বর ক্লোন করে সেই এলাকার এসআরের কাছে ওই দোকানের পরিচয় দিয়ে চাওয়া হতো মোটা অঙ্কের টাকা। টাকা অ্যাকাউন্টে আসামাত্রই নিজের দখলে থাকা অ্যাকাউন্ট থেকে কৌশল হিসেবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তাঁদের চক্রের অন্য সদস্যদের নম্বরে স্থানান্তর করে দিতেন। এরপর তাঁদের অধীনে থাকা এজেন্টদের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করতেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তিন ভাগে ২০ থেকে ২৫ জন সদস্য রয়েছেন এই চক্রে।



সাতদিনের সেরা