kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৮ জুন ২০২২ । ১৪ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৭ জিলকদ ১৪৪৩

কর্মশালায় প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

মাংস আমদানি বন্ধে কৌশলগত নীতি করছে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৬ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



প্রাণিসম্পদ খাতে উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রাণিজাত পণ্য দুধ, মাংস ও ডিমের বহুমুখী ব্যবহারে গুরুত্ব দিতে হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। সরকার মাংস আমদানি বন্ধে কৌশলগত নীতি নির্ধারণ করেছে। খামারিদের বাঁচিয়ে এই শিল্পকে এগিয়ে নিতে এগুলো খুবই জরুরি।

মন্ত্রী বলেন, শুধু মাংস আর দুধ উৎপাদনই খামারিদের কাজ হওয়া উচিত নয়।

বিজ্ঞাপন

এগুলোর পুষ্টিগুণ ঠিক রাখতে হবে। এ জন্য এ বিষয়ে জ্ঞান থাকতে হবে তাঁদের।

গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের অ্যাগ্রো বিজনেস প্ল্যানিং, টেকনোলজিস অ্যান্ড মার্কেটিং অ্যাডভাইস অ্যান্ড ইমপ্লিমেনটেশন সাপোর্ট বিষয়ক ইনসেপশন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, ‘প্রাণিসম্পদ খাতে শুধু উৎপাদন বৃদ্ধিই নয়, বরং উৎপাদিত পণ্যের বহুমুখী ব্যবহারে গুরুত্ব দিতে হবে। বহুমুখীকরণ করতে না পারলে এ খাতকে টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে না। দুধ ও মাংস থেকে বহুমুখী ব্যবহার উপযোগী উপকরণ তৈরির সুযোগ রয়েছে। এ খাতে সম্পৃক্তদের বহুমুখী ব্যবহার বাড়াতে হবে, মাংস জাতীয় পণ্য তৈরির দিকে দৃষ্টি প্রসারিত করতে হবে। মাংস থেকে চিপস তৈরি হতে পারে, বিস্কুট তৈরি হতে পারে। শুধু মাংস বিক্রির মাধ্যমে এ খাতকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব হবে না। এ জন্য বহুমুখীকরণ ও ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকার এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে। ’

বিদেশ থেকে কেন সব সময় মাছের খাদ্য ও পশুখাদ্য আমদানি করতে হবে, সংশ্লিষ্টদের প্রতি এমন প্রশ্ন রেখে মন্ত্রী বলেন, মাছের ও পশুর খাদ্য আমদানির ক্ষেত্রে কর অব্যাহতিসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে ছাড় দিচ্ছে সরকার। দেশে মাছ ও প্রাণীর খাদ্য তৈরির খাত তৈরি করতে হবে।

মন্ত্রী আরো যোগ করেন, ‘বিদেশ থেকে যাতে মাংস আমদানি করা না হয়, সে ক্ষেত্রে আমরা কৌশলগত নীতি নির্ধারণ করেছি। কারণ আমাদের দেশে পর্যাপ্ত গবাদিপশু রয়েছে। দেশেই পর্যাপ্ত মাংস উৎপাদিত হচ্ছে। কেন বিদেশ থেকে আমরা মাংস আনব? পর্যায়ক্রমে সেগুলো বন্ধের দিকে আমরা যাচ্ছি। ’

জার্মানিভিত্তক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এএফসি অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড ফিন্যান্স কনসালট্যান্টস ও তাদের বাংলাদেশ প্রতিনিধি সার্ভিসেস অ্যান্ড সলিউশনস ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পে পরামর্শক হিসেবে নিযুক্ত রয়েছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও উল্লিখিত পরামর্শক প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে এ কর্মশালার আয়োজন করে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদার সভাপতিত্বে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন।

 



সাতদিনের সেরা