kalerkantho

বৃহস্পতিবার ।  ২৬ মে ২০২২ । ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৪ শাওয়াল ১৪৪

শাহরিয়ার ও বৃষ্টি জানে না মা-বাবা বেঁচে নেই

সড়ক দুর্ঘটনা

আজিম হোসেন, বরিশাল   

২৩ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শাহরিয়ার ও বৃষ্টি জানে না মা-বাবা বেঁচে নেই

মা-বাবা সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। সঙ্গে থাকা ছোট বোন গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। মা-বাবার মরদেহ গত শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে গ্রামের বাড়িতে এসে পৌঁছলেও জানানো হয়নি ছেলে শাহরিয়ারকে (১০)। পরদিন (গতকাল শনিবার) শাহরিয়ার ঘুম থেকে ওঠার আগেই সকাল ৯টায় মা-বাবার মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

বিজ্ঞাপন

এরপর বাড়ির পাশে আত্মীয়ের বাড়িতে তাকে রেখে আসা হয়েছিল। সেখানে দিনভর বন্ধুদের সঙ্গে খেলে সে।

এদিকে শাহরিয়ারের ছোট বোন একই দুর্ঘটনায় আহত বৃষ্টি জ্ঞান ফেরার পর থেকে খুঁজছে মা-বাবাকে। স্বজনরা সান্ত্বনা দিয়ে রাখছে বৃষ্টিকে।

মা-বাবা চিরনিদ্রায় শায়িত হলেও জানে না দুই ভাই-বোন শাহরিয়ার ও বৃষ্টি। তাদের বাড়ি বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের চর হোগলপাতি গ্রামে।

গত শুক্রবার সকাল ৭টায় রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে ‘সেন্ট মার্টিন’ বাসের চাপায় অটোরিকশায় থাকা যে তিনজনের মৃত্যু হয় তাঁদের মধ্যে রিয়াজুল ইসলাম খান রোকন (৪৮) ও শামীমা শারমিন (৩৮) শাহরিয়ার ও বৃষ্টির বাবা-মা এবং আব্দুর রহমান (৬৫) তাঁদের নানা। শামীমার বাবা আব্দুর রহমানের মরদেহও শুক্রবার দিবাগত রাতে বরিশালের উজিরপুর উপজেলার জল্লা ইউনিয়নের মশাং গ্রামে নেওয়া হয়। গতকাল সকাল ৯টায় তাঁর মরদেহ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।



সাতদিনের সেরা