kalerkantho

বৃহস্পতিবার ।  ২৬ মে ২০২২ । ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৪ শাওয়াল ১৪৪

তিস্তায় সহযোগিতার সুযোগ এখনো আছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তিস্তায় সহযোগিতার সুযোগ এখনো আছে

তিস্তা নদীর পানি বণ্টনের বিষয়ে সহযোগিতার সুযোগ এখনো আছে। আর এই সহযোগিতার সুযোগ কেবল এক পক্ষের লাভের বিষয় হতে পারে না। গতকাল শনিবার ‘সপ্তম আন্তর্জাতিক পানি সম্মেলন ২০২২’-এর শেষ দিনে বক্তারা এমন অভিমত জানান। অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ ‘তিস্তা নদী অববাহিকা : সংকট উত্তরণ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী ওই ভার্চুয়াল সম্মেলন আয়োজন করে।

বিজ্ঞাপন

সম্মেলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, মানুষ ও প্রকৃতিভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি মাথায় রেখে সমাধানের পথ বের করতে হবে। তিনি আশা করেন, নদীর পানি শাসনের ক্ষেত্রে প্রকৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকে বেরিয়ে আসার সময় এসেছে।

অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ্ কবির বলেন, মানুষ নদীর সঙ্গে বসবাস করে, কিন্তু সাধারণত নদীসংক্রান্ত আলোচনায় তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয় না। পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পানি জাদুঘর প্রতিষ্ঠার ধারণাটি স্থানীয় সম্প্রদায়ের লোকদের অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে এসেছে। এটি দক্ষিণ এশিয়ার  প্রথম সম্প্রদায়ভিত্তিক পানি জাদুঘর। ২০১৪ সালে অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ ওই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করেছে।

দ্য গ্লোবাল নেটওয়ার্ক অফ ওয়াটার মিউজিয়ামের নির্বাহী পরিচালক ড. এরিবার্তো ইউলিস বলেন, তিস্তা নদী অন্য নদীগুলোর মতোই পরিবর্তনের প্রতীক।

ৃসাবেক পররাষ্ট্রসচিব ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসরিয়াল ফেলো শহীদুল হক বলেন, ‘আলোচনার মাধ্যমে তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে আরো ভালো সহযোগিতার পথ খুঁজে পেতে পারি। ’

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অংশীদার, জনগণ এবং রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে আরো মিথস্ক্রিয়া হওয়া দরকার। জলবায়ু পরিবর্তন বিবেচনা করেও ভিন্ন ন্যারেটিভে এগিয়ে যাওয়া উচিত।

অ্যাসোসিয়েশন অফ ভলান্টারি অ্যাকশন ফর সোসাইটির (আভাস) নির্বাহী পরিচালক এবং অ্যাকশনএইড ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ সোসাইটির সাধারণ পরিষদের সদস্য রহিমা সুলতানা কাজল বলেন, নদীর প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করার ফলে নদীকেন্দ্রিক সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।

কাউনিয়া কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান শ্বাশ্বত ভট্টাচার্য বলেন, নদী মরে গেলে নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা জনজীবনও মরে যায়।

সম্মেলনের শেষ দিনে আলোচক হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন নেপাল আইএসইটির উপদেষ্টা অজয় দীক্ষিত; লিভিং ওয়াটারস মিউজিয়ামের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট ফর সায়েন্স এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চের অ্যাডজান্ট প্রফেসর ডা. সারা আহমেদ এবং এওএসইডিওর নির্বাহী পরিচালক শামীম আরফিন।



সাতদিনের সেরা