kalerkantho

শনিবার । ১৩ আগস্ট ২০২২ । ২৯ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১৪ মহররম ১৪৪৪  

আড়ালেই পরিকল্পনাকারীরা পরিবারের ক্ষোভ

কুমিল্লায় কাউন্সিলরসহ জোড়া খুনের দুই মাস আজ

আবদুর রহমান, কুমিল্লা   

২২ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ১৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ মোহাম্মদ সোহেল (৫০) ও তাঁর সহযোগী আওয়ামী লীগের কর্মী হরিপদ সাহাকে (৫৫) গুলি করে খুনের ঘটনার দুই মাস আজ শনিবার (২২ জানুয়ারি)। ঘটনার শুরু থেকেই সোহেলের পরিবারের সদস্যরা বলে আসছেন, পেছন থেকে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা ইন্ধন এবং অর্থ ও অস্ত্রের জোগান দিয়ে হত্যাকাণ্ড বাস্তবায়ন করিয়েছে। তাঁরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, খুনের পরিকল্পনাকারীরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে। পর্দার আড়াল থেকে তাদের সামনে আনার সম্ভাবনাও দিন দিন কমে আসছে।

বিজ্ঞাপন

অবশ্য মামলার তদন্ত কর্মকর্তার ভাষ্য, মামলার তদন্তের সার্বিক অগ্রগতি হয়েছে ৯০ শতাংশ। হত্যাকাণ্ডের পেছনে কেউ জড়িত থাকলে তাকে সামনে আনা হবে।

দেশজুড়ে আলোচিত এই জোড়া খুনের সাত দিন পর পুলিশ জানিয়েছিল, সোহেল ও হরিপদকে গুলি করে হত্যার সময় হিট স্কোয়াডে ছিল ছয়জন সন্ত্রাসী। তাদের মধ্যে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন মামলার প্রধান আসামি শাহ আলম, ৩ নম্বর আসামি সাব্বির সোহেন ও ৫ নম্বর আসামি মো. সাজন। আর ২ নম্বর আসামি জেল সোহেল, এজাহারবহির্ভূত পিচ্চি নাজিম ও অস্ত্র সরবরাহকারী রিশাত স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত সাতজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

জোড়া খুনের ঘটনায় গত ২৩ নভেম্বর রাতে কাউন্সিলর সোহেলের ছোট ভাই সৈয়দ মো. রুমন ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরো ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। এখন পর্যন্ত মামলায় এজাহারনামীয় সাতজন ও সন্দেহভাজন পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ, জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও র‌্যাব। বন্দুকযুদ্ধে এজাহারনামীয় তিন আসামি নিহত হয়েছেন। এখনো পলাতক ১১ নম্বর আসামি রনি।

গ্রেপ্তার আসামিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য ও তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার প্রায় এক মাস পর মামলার তদন্ত সংস্থা জেলা ডিবি পুলিশ বলেছিল, বন্দুকযুদ্ধে নিহত প্রধান আসামি শাহ আলমই এই জোড়া খুনের মূল পরিকল্পনাকারী। তবে পুলিশের এই কথা নাকচ করে আসছেন সোহেলের পরিবারের সদস্যরা।

গতকাল শুক্রবার বিকেলে মামলার বাদী সৈয়দ মো. রুমন বলেন, “আমরা এখনো বলছি, এই জোড়া খুনের পেছনে প্রভাবশালী কোনো মহলের হাত রয়েছে। কারণ বন্দুকযুদ্ধে নিহত প্রধান আসামি শাহ আলম ‘টোকাই’ শ্রেণির সন্ত্রাসী। তারা টাকার জন্য সব কাজ করতে পারে। ’



সাতদিনের সেরা