kalerkantho

রবিবার । ২৬ জুন ২০২২ । ১২ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৫ জিলকদ ১৪৪৩

তিস্তার পানি কারো নিজস্ব সম্পত্তি নয়

পানি সম্মেলনে বক্তারা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২১ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পানি কারো নিজস্ব সম্পত্তি নয়। অভিন্ন নদ-নদী থেকে একতরফা পানি প্রত্যাহার বেআইনি ও অগ্রহণযোগ্য—তিস্তা নদীর অববাহিকাবিষয়ক এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বক্তারা এমনটাই বলেছেন।

অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের আয়োজনে তিন দিনব্যাপী ‘সপ্তম আন্তর্জাতিক পানি সম্মেলন’-এর প্রথম দিন ছিল গতকাল বৃহস্পতিবার। ভার্চুয়াল মাধ্যমে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

সম্মেলনের সভাপতি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ এনভায়রনমেন্ট রিসার্চের উপদেষ্টা প্রফেসর ইমেরিটাস আইনুন নিশাত বলেন, তিস্তা নদীর অববাহিকা ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ। তাই দুই দেশকেই এ সংকট সমাধানে এগিয়ে আসতে হবে। তিস্তা নদীর পানি বণ্টন সমাধানে বাংলাদেশ ও ভারতকে বার্ষিক ‘হাইড্রোলজিক্যাল’ মূল্যায়নে বসতে হবে।

আইনুন নিশাত বলেন, ভারত একতরফাভাবে তিস্তা নদীর পানি প্রত্যাহার করছে, যা নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। কোনো আন্তর্জাতিক আইনে, এমনকি ভারতীয় আইনেও তা গ্রহণযোগ্য নয়।

সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য দেন অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের এদেশীয় পরিচালক ফারাহ্ কবির। তিনি বলেন, পানি ও নদীশাসন, আঞ্চলিক বিরোধ ও জলবায়ু পরিবর্তন ধারাবাহিকভাবে জনগণের অধিকারকে প্রভাবিত করছে। তাই টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের মাধ্যমে নদী রক্ষা করা জরুরি।

অ্যাকশনএইড ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ সোসাইটির চেয়ারপারসন ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড জাস্টিসের নির্বাহী পরিচালক মনজুর হাসান বলেন, তিস্তা নদীর পানি বণ্টন একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বিষয়। পানি কারো নিজস্ব সম্পত্তি নয়।

তিস্তা নদীর পানি বণ্টনে সমাধানে আসার আহবান জানিয়ে সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, পানি ব্যবস্থাপনায় রাজনৈতিক চিন্তাভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, মানুষ এখন শুষ্ক মৌসুমে হেঁটে নদী পার হতে পারে। ভারতের স্থানীয় জনগণের মতে, তিস্তার ওপর বাঁধ নির্মাণের ফলে জীববৈচিত্র্য এবং হাজার হাজার মানুষের জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছে। ভূমিতে আদিবাসীদের অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে।

সুইডেনের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক অশোক সোয়াইন বলেন, তিস্তা নদীর পানি বণ্টন নিয়ে একসঙ্গে বসতে শীর্ষ নেতাদের ইচ্ছা ও মানসিকতার অভাব রয়েছে।



সাতদিনের সেরা