kalerkantho

রবিবার । ২৬ জুন ২০২২ । ১২ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৫ জিলকদ ১৪৪৩

অনিশ্চয়তায় বিনা ভোটে নির্বাচিত তিন চেয়ারম্যানের ভাগ্য

আদালতের নির্দেশে ৪ প্রার্থীর মনোনয়ন জমা

কুমিল্লা সংবাদদাতা   

২১ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে ইউপি নির্বাচনে ১১ ইউপির সবগুলোতেই আওয়ামী লীগের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হলেও উচ্চ আদালতের এক নির্দেশে চার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা নিতে হলো নির্বাচন কমিশনকে। গতকাল বৃহস্পতিবার তিন ইউনিয়নের চার স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা বলেছেন, তাঁরা বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছেন। এখন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজ্ঞাপন

গত ১৮ ডিসেম্বর মনোহরগঞ্জ উপজেলার ১১টি ইউপির নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। তফসিল অনুযায়ী গত ৩ জানুয়ারি ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। ৬ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র বাছাই হয়। ১৩ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল। আগামী ৩১ জানুয়ারি ইভিএমে এসব ইউপির ভোটগ্রহণ হবে।

মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে সাত চেয়ারম্যান প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত হয়ে যায়। ওই সাত ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত একক প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দেন। বাকি চারটি ইউনিয়নে একাধিক প্রার্থী থাকলেও ১৩ জানুয়ারি মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে আওয়ামী লীগের ছাড়া সব প্রার্থীই তাঁদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন। সর্বশেষ গত ১৪ জানুয়ারি উপজেলার ১১টি ইউনিয়নেই আওয়ামী লীগ মনোনীত ব্যক্তিদের বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করেন রিটার্নিং অফিসার।

গতকাল বিকেলে উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের চারজন স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী উচ্চ আদালতের নির্দেশে রিটার্নিং অফিসারের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মঞ্জুরুল আলম। ওই চার প্রার্থী হলেন ঝলম উত্তর ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, সরসপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম সরওয়ার মজুমদার, একই ইউনিয়নের জসিম উদ্দিন ও লক্ষ্মণপুর ইউনিয়নের আবদুল বাতেন।

চার প্রার্থীর বক্তব্য, তফসিল ঘোষণার পর থেকে এই নির্বাচনে তাঁরাসহ বেশ কয়েকজন চেয়ারম্যান ও সাধারণ সদস্য প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে না পেরে জেলা প্রশাসক, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, জেলা পুলিশ সুপার, নির্বাচন কমিশন সচিব ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি দেন। কিন্তু তাঁরা কোনো প্রতিকার পাননি। এ ছাড়া গত ৩১ ডিসেম্বর রাজধানীর আগারগাঁও এলাকায় নির্বাচন ভবনের সামনে তাঁরা জেলা কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার দাবি জানিয়ে মানববন্ধন করেন। এতেও কাজ না হওয়ায় সর্বশেষ ওই চারজন গত ২ জানুয়ারি উচ্চ আদালতে রিট করেন।



সাতদিনের সেরা