kalerkantho

রবিবার । ২৬ জুন ২০২২ । ১২ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৫ জিলকদ ১৪৪৩

সামাজিক অনুষ্ঠান বন্ধের প্রভাব মুরগির বাজারে

ব্রয়লার মুরগির দাম ১৫-২০ টাকা কমেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২১ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



দিন পনেরো আগেও ব্রয়লার মুরগির দাম শুনে বাজারের থলে হাতে বাসায় ফিরে আসতেন ক্রেতা। কারণ দাম বেড়ে তখন কেজিপ্রতি ২০০ টাকা ছুঁই ছুঁই করছে ব্রয়লার মুরগি। তবে গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে ব্রয়লার মুরগি ১৫৫ টাকা কেজি দরেও বিক্রি হতে দেখা গেছে। করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় বিয়েসহ সামাজিক অনুষ্ঠান বন্ধ হওয়াকে দাম কমে যাওয়ার বড় কারণ বলছেন খামারি ও ব্যবসায়ীরা।

বিজ্ঞাপন

বাজারে অবশ্য চাল, ডাল, তেল, চিনিসহ অন্যান্য ভোগ্য পণ্যের দাম কমেনি, বরং খোলা সয়াবিনের দাম কেজিপ্রতি দু-তিন টাকা বেড়েছে।

গত সপ্তাহে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি। ব্রয়লারের সঙ্গে কমেছে সোনালি ও দেশি মুরগির দামও। সপ্তাহ দুয়েক আগে সোনালি মুরগি বিক্রি হয়েছে ৩৩০ থেকে ৩৪০ টাকা কেজি। গতকাল বিক্রেতারা দাম চাইলেন ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা।

ব্যবসায়ী ও খামারিরা বলছেন, এরই মধ্যে সরকার করোনার কারণে যে বিধি-নিষেধ দিয়েছে, তার মধ্যে সামাজিক অনুষ্ঠানাদি বন্ধের নির্দেশনা রয়েছে। এ ছাড়া হোটেল-রেস্তোরাঁয় খাওয়ার ক্ষেত্রেও দেওয়া হয়েছে বিধি-নিষেধ। এই দুই খাত ফার্মের মুরগির বড় ভোক্তা। আবার গতকাল ডিসি সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিয়ের অনুষ্ঠান বন্ধের নির্দেশনা দিলে অনেক খুচরা বিক্রেতা কিছুটা কম লাভে মুরগি বিক্রি করে দেন।

দাম কমেছে খামারগুলোতেও। সপ্তাহ দুয়েক আগে খামারে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা কেজি। গতকাল বিক্রি হয়েছে ১২৯ থেকে ১৩০ টাকা কেজি। গত সপ্তাহেও খামারে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে ১৩২ থেকে ১৩৫ টাকা কেজি।

পাইকারি বা খামারে সোনালি মুরগি গতকাল বিক্রি হয়েছে ২০০ টাকা কেজি, চলতি মাসের শুরুতে যা ছিল ২৩০ টাকা কেজি। গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ২১০ থেকে ২১৫ টাকা কেজি।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ পোলট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মহসিন গতকাল বলেন, নতুন স্বাস্থ্যবিধি জারির কারণে বিয়ে ও সামাজিক অনুষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। হোটেল-রেস্তোরাঁয়ও অনেকে স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা চিন্তা করে খেতে যাচ্ছে না। এতে মুরগির চাহিদা কমে যাওয়ায় দামও কমছে। এ অবস্থা চলতি থাকলে দাম আরো কমে যেতে পারে। এতে অনেক খামারিই পথে বসে যাবেন।

চলতি সপ্তাহে দাম কমার তালিকায় আরো রয়েছে পেঁয়াজসহ অন্যান্য মসলাজাতীয় পণ্য। রাজধানীর খুচরা বাজারে গত সপ্তাহে দেশি যে মানের পেঁয়াজ ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে, এখন তা ৩৫ টাকায় নেমেছে। এ ছাড়া দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৭০ টাকা এবং আমদানি করা রসুন ৮০ থেকে ১২০ টাকায়।



সাতদিনের সেরা