kalerkantho

শনিবার । ২৫ জুন ২০২২ । ১১ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৪ জিলকদ ১৪৪৩

মাদকের তথ্য দেওয়ায় সোর্স সায়মনকে খুন

কেরানীগঞ্জে পাঁচজন গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঢাকার কেরানীগঞ্জে পুলিশের ‘সোর্স’ সায়মন ওরফে নূরে আলম হত্যাকাণ্ডে জড়িত অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। গত রবিবার রাত থেকে গতকাল সোমবার ভোর পর্যন্ত কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব সূত্র জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা সংঘবদ্ধ মাদক কারবারি চক্রের সদস্য। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে মাদকচক্রের তথ্য দেওয়ায় হাত-পায়ের রগ কেটে সায়মনকে হত্যা করা হয়।

বিজ্ঞাপন

সায়মন পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ করতেন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন সুমন ওরফে গ্লাস সুমন (২৯), সোহাগ ওরফে লম্বু সোহাগ (২৮), শরীফ ওরফে গরীব (২৯), জনি ওরফে হর্স পাওয়ার জনি (৩২) ও হারুন (৩২)। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত সুইচগিয়ার চাকু ও অন্যান্য ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের সবাই ‘গ্লাস কম্পানি মাদক সিন্ডিকেটে’র সদস্য। এ চক্রে সক্রিয় সদস্য ১২ থেকে ১৫ জন। এঁদের মধ্যে গ্লাস সুমন হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী। কেরানীগঞ্জসহ পাশের এলাকায় তিনি গ্লাস কম্পানি নামে একটি মাদক সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। তিনি পরিকল্পনা থেকে শুরু করে হত্যাকাণ্ডের সময় সশরীরে উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া লম্বু সোহাগ, শরীফ ওরফে গরীব, জনি ও গ্লাস সুমন হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন।

গতকাল রাজধানীর কারওয়ান বাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন র‌্যাবের লিগ্যাল আ্য্যন্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার তথ্য দিয়েছেন জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, কিছুদিন আগে সায়মন মাদকচক্রের কয়েকজন সদস্য সম্পর্কে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর কাছে তথ্য দেন। এরপর কয়েকজন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার হয়। এতে তারা সায়মনকে সন্দেহ করে প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে গত ১৫ জানুয়ারি ঢাকার কেরানীগঞ্জের বাসা থেকে ডেকে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে হাত ও পায়ের রগ কেটে তাঁকে হত্যা করে।  



সাতদিনের সেরা