kalerkantho

শনিবার । ২৫ জুন ২০২২ । ১১ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৪ জিলকদ ১৪৪৩

ঘুষের টাকা ফেরত চান চাকরিপ্রার্থী

সম্প্রতি ঘুষ নেওয়া এবং প্রতারিত হওয়ার একটি ফোনালাপ নিয়ে কয়েক দিন ধরে বিজয়নগরে তুমুল আলোচনা চলছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি   

১৮ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



একটি বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে ঘুষ দিয়েছিলেন যাতে শিক্ষকের চাকরি মেলে। পরিচ্ছন্নতাকর্মী পদে নিয়োগ দিয়ে শিক্ষকতার কাজে নিযুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল ভুক্তভোগী এক যুবককে। এই চাকরি পেতে গুনতে হয়েছে দুই লাখ টাকা। ঘটনাটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার মুকুন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের।

বিজ্ঞাপন

সম্প্রতি ঘুষ নেওয়া এবং প্রতারিত হওয়ার একটি ফোনালাপ নিয়ে কয়েক দিন ধরে বিজয়নগরে তুমুল আলোচনা চলছে। ফোনালাপটি মুকুন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল করিম ও চাকরিপ্রার্থী যুবক মো. কাউছারের মা রাজিয়া বেগমের। কালের কণ্ঠের কাছে এই ফোনালাপ রয়েছে। তবে ফোনালাপের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন প্রধান শিক্ষক।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কাউছার মূলত মাদরাসা থেকে ফাজিল পাস করেছেন। শিক্ষক হওয়ার মতো যোগ্যতা তাঁর নেই। কিন্তু প্রধান শিক্ষক তাঁকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, পরিচ্ছন্নতাকর্মী পদে নিয়োগ দেওয়া হলেও তাঁকে দিয়ে কয়েকটি বিষয়ের ক্লাস নেওয়ানো হবে। কাউছারও জানান, তিনি সহজ কিছু বিষয়ের ক্লাস নিতে পারবেন। উভয়ের মধ্যে এই রকম চুক্তিতে লেনদেন হয়। কিন্তু নিয়োগলাভের পর তাঁকে দিয়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কাজ করাচ্ছিলেন প্রধান শিক্ষক। প্রত্যাশামতো চাকরি না পাওয়া এবং পরিচ্ছন্নতাকাজে শারীরিক অক্ষমতার কারণে চাকরি ছেড়ে দিতে চাচ্ছেন কাউছার। এখন তাঁর মা ঘুষের টাকা ফেরত চাচ্ছেন।

কাউছার হবিগঞ্জের নোয়াপাড়া এলাকার প্রয়াত জয়নাল আবেদীনের ছেলে। প্র্রধান শিক্ষকের এলাকার একটি মসজিদে তিনি ইমামতি করতেন। প্রায় ছয় মাস আগে কাউছারের চাকরি হয়। বর্তমানে কাউছার অসুস্থ।

এ বিষয়ে আব্দুল করিম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আজ (গতকাল) বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন চলছে। এ কারণে একটি মহল ষড়যন্ত্র করছে। রেকর্ডের কথা আমার না। ’

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুল জলিল বলেন, ‘চাকরি দেওয়ার কোনো ফোনালাপের কথা আমাকে কেউ জানায়নি। বিষয়টি আমি জানিও না। ’



সাতদিনের সেরা