kalerkantho

বুধবার ।  ১৮ মে ২০২২ । ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৬ শাওয়াল ১৪৪৩  

বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মসূচি

শাবিপ্রবির হামলার প্রতিবাদে তিন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৮ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের ওপর ‘পুলিশি হামলার’ প্রতিবাদে গতকাল সোমবার দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক মো. ফরিদ উদ্দিনের অপসারণ দাবি জানিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতারা।

গতকাল দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু ভবনের ক্যাফেটেরিয়ার সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়। এর আগে টিএসসি থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।

বিজ্ঞাপন

এরপর সমাবেশে ছাত্র ফেডারেশনের একাংশের সভাপতি মিতু সরকারের সভাপতিত্বে ছাত্র ফেডারেশনের (গণসংহতি) সভাপতি গোলাম মোস্তফা, ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক দিলীপ রায়, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের (মার্ক্সবাদী) ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জয়দীপ ভট্টাচার্য, ছাত্র ইউনিয়নের সহসভাপতি জহর লাল রায়, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সহসভাপতি সাইদুল হক নিশান প্রমুখ বক্তব্য দেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বামদলীয় জোটের আয়োজনে মশাল মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়। এর আগে সকাল ১১টায় ক্যাম্পাসের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে উপাচার্য ফরিদ উদ্দিনের অপসারণ দাবিতে ক্যাম্পাসে মানববন্ধন করা হয়।

রংপুর নগরীতে গতকাল বিকেলে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন ও মার্ক্সবাদী সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট।

একই ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও। গতকাল দুপুরে ক্যাম্পাসের শহীদ মিনারের সামনে ‘আই স্ট্যান্ড উইথ সাস্ট’ প্ল্যাকার্ড হাতে মানববন্ধনে অংশ নেন তাঁরা।  

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবেশে মিতু সরকার বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ছাত্রদের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালানোর জন্য পুলিশকে ডেকে এনেছে। হমলার পরও ছাত্ররা আন্দোলন ছেড়ে যায়নি। শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করা কোনো উপাচার্যের দায়িত্ব হতে পারে না। অবিলম্বে উপাচার্যের অপসারণের দাবি জানাচ্ছি। ’ গোলাম মোস্তফা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কেন পুলিশ আসবে? পুলিশ কার টাকায় চলে? শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলন ধামাচাপা দেওয়ার জন্য হল-ক্যাম্পাস বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু যত দিন শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে না নেওয়া হবে, তত দিন আন্দোলন চলবে।

[প্রতিবেদন তৈরিতে তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছে সংশ্লিষ্ট এলাকার অফিস ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিরা। ]



সাতদিনের সেরা