kalerkantho

বুধবার । ২৯ জুন ২০২২ । ১৫ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৮ জিলকদ ১৪৪৩

পাহাড়ের সমস্যার স্থায়ী সমাধান খুঁজতে হবে

‘সম্প্রীতি, সমৃদ্ধি ও উন্নয়ন : একুশ শতকে পার্বত্য চট্টগ্রাম’ শীর্ষক গোলটেবিল

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



পার্বত্য চট্টগ্রামের নির্বিঘ্ন উন্নয়ন করতে চাইলে প্রথমে শান্তি নিশ্চিত করতে হবে। দেশের ১১-১২ শতাংশ (পার্বত্যাঞ্চল) এলাকাকে অশান্ত রেখে সারা দেশের শান্তি সম্ভব নয়। পাহাড়ের সমস্যার স্থায়ী সমাধানের পথ খুঁজতে হবে। কারণ এখনো পার্বত্যাঞ্চলে বিভিন্ন গ্রুপ সংঘর্ষে লিপ্ত।

বিজ্ঞাপন

তাই পাহাড়ে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে।

ভোরের কাগজ পত্রিকা ও আইসিএলডিএসের যৌথ উদ্যোগে গতকাল রবিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘সম্প্রীতি, সমৃদ্ধি ও উন্নয়ন : একুশ শতকে পার্বত্য চট্টগ্রাম’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামের সম্প্রীতি, সম্ভাবনা ও উন্নয়নের বিষয়টি বেশ জটিল। তবে এতটুকু বলতে পারি, এ অঞ্চলের উন্নয়ন বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তিনি আমাদেরও নির্দেশনা দিয়ে রেখেছেন, পার্বত্যাঞ্চল নিয়ে বেশি বেশি প্রকল্প নিতে। আমরাও বিভিন্ন পরিকল্পনা নিচ্ছি। ’

পরিকল্পনামন্ত্রী আরো বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে যে ব্যয় হয়, মাথাপিছু হিসাবে তা দেশের অন্য জায়গা থেকে অনেক বেশি। ভবিষ্যতে এ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর।

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেন, ‘শান্তি ও সমৃদ্ধি পেতে হলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। বন্দুক দিয়ে যে সমস্যার সমাধান করা যায়নি, ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর শান্তিচুক্তির মাধ্যমে তার সমাধান করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘অস্ত্র জমা দিয়ে শান্তিচুক্তি করা হয়েছিল। কিন্তু তার পরও কেন এখনো হত্যা, হানাহানি, গুমের মতো ঘটনা ঘটছে? এ দায় কার?’

আইসিএলডিএস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জমিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) মো. আবদুর রশীদ। আরো বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য আরমা দত্ত, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নান, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা, সাবেক রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল এম আসহাব উদদীন, ই-ক্যাব নেতা ফারহা মাহমুদ তৃণা, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহফুজ পারভেজ, অ্যাডভোকেট ইকবাল করিম, আমেরিকান অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নূসরাত ফিরোজ আমান, আন্দোলনকর্মী অনন্ত ধামাই, তিন পার্বত্য জেলার বাসিন্দা অমর জ্যোতি চাকমা, মাইন উদ্দিন ও হাবিব আজম প্রমুখ।



সাতদিনের সেরা