kalerkantho

শুক্রবার । ৭ অক্টোবর ২০২২ । ২২ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

নবজাতকের কপাল কাটলেন নার্স

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর   

১৬ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ফরিদপুরে প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসক ছাড়াই প্রসব করাতে গিয়ে নবজাতকের কপাল কেটে ফেলেছেন নার্স ও আয়া। গতকাল শনিবার সকালে শহরের পশ্চিম খাবাসপুর এলাকায় অবস্থিত আল-মদিনা প্রাইভেট ক্লিনিকে এই ঘটনা ঘটে। পরে তড়িঘড়ি করে নবজাতকের কপালে ৯টি সেলাই দেওয়া হয়। এই ঘটনায় রোগীর আত্মীয়-স্বজন প্রশাসনে অভিযোগ করলে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশ গিয়ে অভিযুক্ত নার্স চায়না বেগম ও হাসপাতালের পরিচালক পলাশকে আটক করে।

বিজ্ঞাপন

অভিযোগ রয়েছে, চায়না সিনিয়র স্টাফ নার্স পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রসূতিদের প্রসব করাচ্ছিলেন।

জানা গেছে, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার মইজুদ্দিন মাতব্বরপাড়ার শফিক খানের স্ত্রী রুপা বেগমকে গতকাল শনিবার ভোরে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। সকালে হাসপাতালের সামনে অপেক্ষা করছিলেন স্বজনরা। পরে দালালদের কথায় পাশের আল-মদিনা প্রাইভেট হাসপাতালে রুপা বেগমকে ভর্তি করেন তাঁরা। সেখানে প্রসব করানোর সময় নবজাতকের কপালের একটি অংশ কেটে ফেলেন নার্স ও আয়া।

আহত নবজাতকের ফুফু হোসনে আরা বেগম বলেন, ‘আমরা বারবার বলার পরেও কোনো চিকিৎসক ছাড়াই হাসপাতালের আয়া ও নার্স প্রসব করাতে গিয়ে শিশুটির কপাল কেটে ফেলেছে। ’

ফরিদপুর সদর উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফাতেমা করিম বলেন, ‘বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এ ধরনের উদাসীনতা মেনে নেওয়া হবে না। আমরা অভিযুক্তদের ডাটাবেইস তৈরি করছি। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ’

ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুল আলম বলেন, ‘আমরা এরই মধ্যে হাসপাতাল থেকে দুজনকে আটক করেছি। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। ’



সাতদিনের সেরা