kalerkantho

শনিবার । ২৫ জুন ২০২২ । ১১ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৪ জিলকদ ১৪৪৩

সেই পুরনো ভবন প্রাঙ্গণে শিল্পী শশিভূষণকে স্মরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা   

১৫ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সেই পুরনো ভবন প্রাঙ্গণে শিল্পী শশিভূষণকে স্মরণ

খুলনার মহেশ্বরপাশা স্কুল অব আর্টের পুরনো ভবন প্রাঙ্গণে গতকাল চিত্রশিল্পী শশিভূষণ পালের জন্মবার্ষিকী পালন করা হয়। ছবি : কালের কণ্ঠ

পথিকৃৎ চিত্রশিল্পী শশিভূষণ পাল প্রতিষ্ঠিত খুলনার মহেশ্বরপাশা স্কুল অব আর্টের সেই পুরনো ভবন প্রাঙ্গণে শিল্পীকে স্মরণ করেছে জেলার সংস্কৃতিসেবী ও নাগরিক সমাজ।

গতকাল ১৪ জানুয়ারি ছিল শিল্পী শশিভূষণ পালের জন্মবার্ষিকী। দিনটি উপলক্ষে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে দেশের প্রথম আর্ট স্কুলটির ভবন প্রাঙ্গণে তাঁর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি দেওয়া হয়। অন্য কর্মসূচির মধ্যে ছিল আলোচনাসভা ও শিল্পীকে স্মরণ করে ছবি আঁকা।

বিজ্ঞাপন

আলোচনাসভায় অংশ নেন অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদির, শেখ সৈয়দ আলী, হুমায়ুন কবির ববি প্রমুখ। বক্তারা শিল্পীর একান্ত ইচ্ছায় গড়ে তোলা এই প্রতিষ্ঠানটির ভবনটি জাতীয় ঐতিহ্য হিসেবে রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

১৮৭৮ সালের ১৪ জানুয়ারি খুলনার দৌলতপুরের মহেশ্বরপাশায় জন্মগ্রহণ করেন শিল্পী শশিভূষণ পাল। ১৯০৪ সালে নিজের গ্রামেই গড়ে তোলেন চিত্রকলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মহেশ্বরপাশা স্কুল অব আর্ট। এটিই বাংলাদেশ ভূসীমানায় গড়ে ওঠা চিত্রকলার প্রথম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ১৯১৮ সালে সরকারের স্বীকৃতিও মেলে। প্রতিষ্ঠানটিতে তিনি প্রায় ৪১ বছর অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৪৬ সালের ১ জুলাই ৬৮ বছর বয়সে মারা যান তিনি। ১৯৪৭-এর পর এর নামকরণ করা হয় শশিভূষণ আর্ট কলেজ। ১৯৮৩ সালে এটি খুলনা আর্ট কলেজ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং শহরের গল্লামারীর পরিত্যক্ত বেতার ভবনে স্থানান্তরিত হয়। ২০০৯ সালে আর্ট কলেজটি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চারুকলা ইনস্টিটিউট হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

গত বছরের জানুয়ারি মাসে খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) মূল ভবনটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন হিসেবে তালিকাভুক্ত করে এটি অপসারণের কথা বলে। ভবনটি ভেঙে ফেলার জন্য দরপত্রও  আহবান করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। পরে সংস্কৃতিসেবী ও নাগরিক সমাজের প্রতিবাদের মুখে এসংক্রান্ত  কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।



সাতদিনের সেরা