kalerkantho

শনিবার । ২৫ জুন ২০২২ । ১১ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৪ জিলকদ ১৪৪৩

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

চার বছর পর নতুন কমিটি রয়েছে অভিযোগ ও শঙ্কা

আক্তারুজ্জামান সোহেলকে সভাপতি এবং হাবিবুর রহমান লিটনকে সাধারণ সম্পাদক করে আংশিক কমিটি করা হয়েছে

শুভ আনোয়ার, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়   

৫ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কয়েক বছর ধরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের একাধিক নেতার বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে সংগঠনটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। এমনকি এই বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতাদের কারণেই পদত্যাগ করতে হয়েছিল কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীকে।

এ ছাড়া রাতের আঁধারে এই বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের আগের কমিটির সাধারণ সম্পাদকের পালিয়ে যাওয়া এবং পরবর্তী সময়ে পদত্যাগ করার কারণে শুধু সভাপতির নেতৃত্বে ছন্নছাড়া অবস্থায় চলছিল সাংগঠনিক কার্যক্রম। পরবর্তী সময়ে সভাপতির প্রতিও অনাস্থা ও অসন্তোষের কারণে তাঁকেও একরকম বাধ্য হয়ে সরে যেতে হয়েছিল।

বিজ্ঞাপন

এ পরিস্থিতিতে মুখ থুবড়ে পড়েছিল জাবি ছাত্রলীগের কার্যক্রম।

দীর্ঘদিন নতুন কমিটি না থাকায় হতাশা আর আক্ষেপ নিয়েই ক্যাম্পাস ও রাজনৈতিক জীবনের ইতি টেনেছেন পদপ্রত্যাশী নেতারা। সর্বশেষ গত ১৭ অক্টোবর এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সেই কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। এরপর গত ৩ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের আল-নাহিয়ান খান জয় এবং সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিকস বিভাগের ৪২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আক্তারুজ্জামান সোহেলকে সভাপতি এবং দর্শন বিভাগের ৪৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী হাবিবুর রহমান লিটনকে সাধারণ সম্পাদক করে আংশিক কমিটি করা হয়েছে।

দীর্ঘ চার বছর পর নতুন এ কমিটি ঘোষণার পরপরই যেন আবারও প্রাণ ফিরে পেয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ। রাতভর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের যেমন উল্লাস করতে দেখা গেছে, তেমনি হতাশা আর আক্ষেপ দেখা গেছে কয়েকটি হলের নেতাকর্মীদের মধ্যে। এ কমিটি নিয়েও রয়েছে অভিযোগ। আছে শঙ্কাও। এর আগের কমিটিগুলোর প্রেক্ষাপট এবং এবারের কমিটির প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভিন্ন। এই কমিটি আগের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্ব বহন করছে।

এ কমিটি গ্রহণযোগ্য ও সর্বজনস্বীকৃত কি না—এমন প্রশ্ন রয়েছে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের মধ্যে। তাঁরা সভাপতিকে ‘যোগ্য’ মানলেও অনেকেই সম্পাদককে ‘অযোগ্য’ বলে মনে করছেন। নাম প্রকাশ না করে সম্পাদক পদপ্রত্যাশী এক নেতা বলেন, ‘সাধারণ সম্পাদককে আমি ব্যক্তিগতভাবে অযোগ্য মনে করি। ’

অভিযোগের বিষয়ে নবগঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান লিটন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই আওয়ামী লীগের চেতনা লালন করে বড় হয়েছি। ভবিষ্যৎই প্রমাণ করবে আমি অযোগ্য কি না। ’



সাতদিনের সেরা