kalerkantho

শনিবার । ২৫ জুন ২০২২ । ১১ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৪ জিলকদ ১৪৪৩

নালা বন্ধে জলাবদ্ধতা

রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

৩১ ডিসেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নালা বন্ধে জলাবদ্ধতা

রাউজানে নলকূপের পানিতে জলাবদ্ধতা। ছবি : কালের কণ্ঠ

নালার ওপর রাস্তা তৈরি করায় পানি নিষ্কাশন বন্ধ। এ কারণে নলকূপের পানিতে চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার দুই গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

চিকদাইর ও ডাবুয়া ইউনিয়নের সীমান্ত কুমারপাড়ার বাসিন্দা জাফর আলী, নুর আলম, হাছিনা বেগম ও সুলতান আহমদ জানান, প্রায় ৩৫ বছর আগে সুপেয় পানির জন্য কুমারপাড়ায় সরকারিভাবে একটি গভীর নলকূপ বসানো হয়। এটি এখানকার বেশ কিছু দরিদ্রপাড়ার শত শত পরিবারের লোকজনের সুপেয় পানির একমাত্র উৎস।

বিজ্ঞাপন

এখান থেকে দিন-রাত পানি নির্গত হলেও আগে নিষ্কাশনের পথ ছিল। নালার মাধ্যমে ওই পানি পাশের বিলে চলে যেত। কয়েক মাস আগে এলাকার মো. হারুন একটি রাস্তা তৈরি ও একটি পুকুর খনন করেন। এতে নালাটি বাধাগ্রস্ত হয়। পানি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ ছাড়া নলকূপের যে চতুর্দিকে দেয়াল ছিল, তা ভেঙে উন্মুক্ত করে ফেলেছেন। এখন এলাকার ঘরবাড়ির আঙিনা, বিল, খোলা জায়গা, উঠান, উপসড়কগুলো পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। পশ্চিম ডাবুয়া আমীর হোসেন দফাদার বাড়ি সড়কটিও হাঁটু পরিমাণ পানিতে তলিয়ে আছে।

এলাকাবাসী জানায়, এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন চিকদাইর, পশ্চিম ডাবুয়াসহ কয়েক গ্রামের এক-দেড় হাজার মানুষ ও গাড়ি চলাচল করে। কিন্তু গত দুই মাসের বেশি সড়ক দিয়ে যাতায়াত সম্ভব হচ্ছে না।

এলাকার বাসিন্দা মো. আকবার বলেন, ‘আমার মা গত সোমবার মারা যান। বাড়ির রাস্তা, আশপাশে পানি জমে থাকায় রাতে খাটিয়া বের করতে পারিনি। বাধ্য হয়ে রাত ৯টায় অন্য জায়গায় জানাজা পড়তে হয়। ’

অভিযুক্ত মো. হারুনের ছেলে আমান উল্লাহ বলেন, ‘জলাবদ্ধতায় আমাদের জমিও ডুবে গেছে। আমরা আমাদের জায়গায় রাস্তা ও পুকুর করেছি। আমরা কোনো নালা বন্ধ করিনি। ’



সাতদিনের সেরা