kalerkantho

সোমবার । ৮ আগস্ট ২০২২ । ২৪ শ্রাবণ ১৪২৯ । ৯ মহররম ১৪৪৪

দুদকের অর্থ আত্মসাতের মামলা

সোনালী ব্যাংকের আটজনসহ ১১ জনের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৭ ডিসেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সোনালী ব্যাংকের আটজনসহ ১১ জনের কারাদণ্ড

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় সোনালী ব্যাংকের আট কর্মকর্তাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। গতকাল রবিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক আল আসাদ মো. আরিফুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডিতরা হলেন ডিএন স্পোর্টস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোতাহার উদ্দিন চৌধুরী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক শফিকুর রহমান জন, পরিচালক ফাহিদা হক, সোনালী ব্যাংকের এজিএম সাইফুল হাসান, জিএম মীর মহিদুর রহমান, এমডি ননী গোপাল নাথ, ডিজিএম শেখ আলতাফ হোসেন ও মোহাম্মদ শফিজ উদ্দিন আহমেদ, এজিএম কামরুল হোসেন খান, ডিএমডি মোহাম্মদ মাইনুল হক, সিইও হুমায়ুন কবির। এঁদের মধ্যে হুমায়ুন কবির, ননী গোপাল নাথ ও সাইফুল ইসলাম পলাতক রয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

রায়ে পৃথক দুই ধারায় আসামি মোতাহার, শফিকুর ও ফাহিদাকে পাঁচ ও তিন বছর করে মোট আট বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে উভয় সাজা একসঙ্গে চলবে বিধায় তাঁদের পাঁচ বছর করে সাজা ভোগ করতে হবে। পাশাপাশি এক কোটি ৪২ লাখ ৯৪ হাজার ৭৪ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরো ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ডের টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অপর আট আসামিকে তিন বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে তাদের আরো তিন মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০১২ সালের ২৭ মের মধ্যে সোনালী ব্যাংকের হোটেল শেরাটন (বর্তমানে ইন্টারকন্টিনেন্টাল) শাখা থেকে ডিএন স্পোর্টস লিমিটেডের নামে প্রিশিপমেন্ট ক্রেডিট (পিএসসি) বাবদ এক কোটি ৩৭ লাখ টাকা তুলে আত্মসাৎ করা হয়। এ অভিযোগে দুদকের সহকারী পরিচালক সেলিনা আক্তার মনি ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি ১৬ জনকে আসামি করে রমনা থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে ১১ জনকে অভিযুক্ত করে ২০১৪ সালের ২২ মে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. নাজমুচ্ছায়াদাত।

তদন্তে আসামিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের তথ্য উঠে আসে। ২০১৫ সালের ৪ নভেম্বর ১১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। বিচার চলাকালে আদালত ৬১ সাক্ষীর মধ্যে ৪৪ জনের সাক্ষ্য নেন।



সাতদিনের সেরা