kalerkantho

শুক্রবার । ১৪ মাঘ ১৪২৮। ২৮ জানুয়ারি ২০২২। ২৪ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন ত্বরান্বিত করতে অংশ নিতে চায়

নাসিক নির্বাচন বিষয়ে বিএনপির সহযোগী সংগঠনগুলো

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি   

৯ ডিসেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনে অংশ নিতে বিএনপি ও দলের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রস্তুত রয়েছেন। তবে তাঁরা এই নির্বাচনে অংশ নিতে চান ঘরে ঘরে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার আন্দোলনের বার্তা পৌঁছে দিতে। একই সঙ্গে নির্বাচন ঘিরে নারায়ণগঞ্জে নিজেদের মাঠের অবস্থান আরো শক্ত করতে চান। গতকাল বুধবার বিকেলে আলাপকালে বিএনপির সহযোগী সংগঠন ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতারা এ কথা জানান।

বিজ্ঞাপন

মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি শাহেদ আহমেদ বলেন, ‘আঞ্চলিক রাজনীতির অংশ হিসেবে যদি সিটি নির্বাচনে দল সুযোগ করে দেয়, তাহলে নেত্রীর মুক্তির আন্দোলনে মাঠে নামার একটা সুযোগ হবে নেতাকর্মীদের। যেহেতু নাসিক নির্বাচন ক্ষমতা পরিবর্তনের কোনো নির্বাচন নয় এবং এই মুহূর্তে মাঠে থাকাটাই আমাদের নির্দেশনা, তাই এই নির্বাচন ঘিরে আমরা আরো মানুষের কাছে যেতে পারব এবং আমাদের সব বার্তা তাদের পৌঁছে দিতে পারব। নেত্রীর মুক্তির আন্দোলন ত্বরান্বিত করতে এই নির্বাচন আমাদের একটি পথ হতে পারে। ’

শাহেদ বলেন, ‘আমি চাই, দল নির্বাচনে আসুক। সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য একজন প্রার্থীকে দিয়ে নির্বাচন করালে এবং মানুষ ভোট দিতে পারলে আমাদের জয় সুনিশ্চিত। এটি বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অধীনে শেষ নির্বাচন। তারা শেষ নির্বাচনেও যদি গণতন্ত্র হত্যার কফিনে আরেকটি পেরেক ঠুকে দেয়, মানুষকে ভোটের সুযোগ না দেয়, তবে সেটিও নারায়ণগঞ্জবাসী দেখবে। ’

মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আবুল কাউসার আশা বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জ মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল কিংবা অন্য কোনো অঙ্গসংগঠন এখন নির্বাচন নিয়ে ভাবছে না। আগে ম্যাডামের স্বাস্থ্য, সুচিকিৎসা, আমাদের চলমান আন্দোলন নিয়ে আমাদের ভাবনা। আমরা দলীয় নির্দেশনা মেনে চলছি। এখন ম্যাডামের স্বাস্থ্যগত দিক, তাঁর মুক্তি ও সুচিকিৎসায় আন্দোলনে সক্রিয় থাকতে আমাদের নির্দেশনা আছে। আমাদের এখন নিজেদের কাছে অসহায় মনে হয়; কারণ আমরা ম্যাডামের স্বাস্থ্য নিয়ে কিছু করতে পারছি না। তাঁর জন্য আমরা তেমন কিছু করতে পারিনি। ’

আশা এও বলেন, দল যদি নির্বাচনে যায় তবে অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার, সাবেক এমপি আবুল কালাম ও গিয়াসউদ্দিন—এই তিনজনই হেভিওয়েট প্রার্থী। জয়লাভ করার মতো সক্ষমতা তাঁদের আছে। মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করলে ধানের শীষের বিজয় সুনিশ্চিত।

মহানগর যুবদলের সদস্যসচিব মনিরুল ইসলাম সজল বলেন, ‘নেত্রী এই মুহূর্তে মৃত্যুশয্যায়। তাঁকে নিয়ে দল ও আমরা ব্যস্ত; চিস্তায় আছে সবাই। তবে এখন পর্যন্ত দল আমাদের কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি।



সাতদিনের সেরা