kalerkantho

বৃহস্পতিবার ।  ১৯ মে ২০২২ । ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৭ শাওয়াল ১৪৪৩  

নন্দীগ্রামে আদিবাসী-পুলিশ সংঘর্ষ

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি   

৯ ডিসেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নন্দীগ্রামে আদিবাসী-পুলিশ সংঘর্ষ

বগুড়ার নন্দীগ্রামে চোলাই মদ উদ্ধার করতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে আদিবাসীদের সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। এতে ৭০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

গত মঙ্গলবার রাতের ওই সংঘর্ষের পরই থানার এসআই রেজাউল করিম বাদী হয়ে মামলা দুটি করেন।

গতকাল দুপুরে নন্দীগ্রাম থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ এ তথ্য জানান।

বিজ্ঞাপন

পুলিশ জানায়, উপজেলার বুড়ইল ইউনিয়নের দাসগ্রাম বৃন্দাবনপাড়ার আদিবাসী পল্লীতে বিপুল পরিমাণ চোলাই মদ মজুদ ও কেনাবেচা চলছে—গত মঙ্গলবার রাতে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। আদিবাসীরা এতে বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে আদিবাসী পল্লীর নারীসহ সাত-আটজন আহত হয়। এ ছাড়া সংঘর্ষে সাত পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে সেখান থেকে ১৮ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়।

আহত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে এসআই রেজাউল করিমকে গুরুতর অবস্থায় বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অন্য ছয় পুলিশ সদস্য স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আহত আদিবাসীরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেয়।

দাসগ্রামের আদিবাসী পল্লীর জাম্বু মাহাতো জানান, আগামী শনিবার তাঁর দুই মেয়ের বিয়ে। এ উপলক্ষে সামাজিক রীতি অনুযায়ী বরপক্ষের জন্য বাড়িতে চোলাই মদ তৈরি করে রাখা হয়।

তিনি আরো অভিযোগ করেন, নন্দীগ্রাম থানার পুলিশের একটি দল আদিবাসীদের বাড়িতে হানা দিয়ে ঘরে ঘরে তল্লাশির সময় নারী-পুরুষদের মারধর করেছে। এই হামলার প্রতিবাদ করেন তাঁরা।

নন্দীগ্রাম থানার ওসি মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় থানার এসআই রেজাউল করিম বাদী হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় ৬০ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন।

এ ছাড়া চোলাই মদ উদ্ধারের ঘটনায় একজনকে আসামি করে মাদকদ্রব্য আইনে আরো একটি মামলা করেছেন ওই এসআই। তবে মামলার পর থেকে এজাহারভুক্ত আসামিরা পলাতক।



সাতদিনের সেরা