kalerkantho

বুধবার ।  ১৮ মে ২০২২ । ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৬ শাওয়াল ১৪৪৩  

গণতন্ত্র সম্মেলন

রাশিয়ার কূটনৈতিক প্রচারণার ঢেউ ঢাকায়ও

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

৫ ডিসেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন গণতন্ত্র সম্মেলনের বিষয়ে রাশিয়া নিজেদের অবস্থান জানিয়ে বাংলাদেশকে বার্তা পাঠিয়েছে। ঢাকায় রাশিয়ার দূতাবাস গত মাসের দ্বিতীয়ার্ধে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বার্তাটি পৌঁছে। আগামী ৯ ও ১০ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে বৈশ্বিক এই গণতন্ত্র সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আহ্বানে অনুষ্ঠেয় গণতন্ত্র সম্মেলনে বিশ্বের ১১০টি দেশ বা অঞ্চলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

চীন, রাশিয়া, বাংলাদেশ এ সম্মেলনে আমন্ত্রণ পায়নি।

জানা গেছে, গত মাসের শেষ সপ্তাহে ওয়াশিংটন ডিসিতে কর্মরত চীন ও রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতরা যৌথ নিবন্ধ লিখে যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্র সম্মেলনের সমালোচনা করেন। দুই দেশের রাষ্ট্রদূতের এভাবে নিবন্ধ লিখে গণমাধ্যমে প্রকাশ করাকে নজিরবিহীন বলে অভিহিত করেছেন বিশ্লেষকরা। ওই নিবন্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে অতীত থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি সম্মেলনের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে প্রচারণা চালাচ্ছে চীন ও রাশিয়া।

চীনের পররাষ্ট্রবিষয়ক ভাইস মিনিস্টার লি ইউচেং বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ে ‘গণতন্ত্র বিষয়ক এক সংলাপে’ গণতন্ত্র নিয়ে তাঁর দেশের ভাবনা তুলে ধরেন। সেখানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাম উল্লেখ না করে বলেন, ‘একটি বিশেষ দেশ গণতন্ত্রের স্বঘোষিত নেতা হিসেবে তথাকথিত গণতন্ত্র সম্মেলন আয়োজনের নামে জমায়েতের চেষ্টা করছে। ওই বিশেষ দেশ অন্য দেশগুলোকে বিভিন্ন শ্রেণিতে, গণতান্ত্রিক, অগণতান্ত্রিক তকমায় বিভক্ত করছে এবং অন্যদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার দিকে আঙুল তুলছে। ’

এদিকে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্র সম্মেলনের বিষয়ে গত ১ ডিসেম্বর পাঁচটি ভাষায় প্রায় দেড় হাজার শব্দের বিবৃতি প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশকে দেওয়া অবস্থানপত্রে মূলত ওই বিবৃতির বক্তব্যই সংক্ষেপে জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারকে এগিয়ে ‘বিস্ময়কর’ এক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হচ্ছে। অথচ যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য দেশগুলো নিজ দেশে ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গণতান্ত্রিক আদর্শ থেকে পিছিয়ে পড়েছে।

রাশিয়া বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের এখন আর ‘গণতন্ত্রের বাতিঘর’ বলে দাবি করা উচিত নয়। তারা নিজেরাই এখন মত প্রকাশের স্বাধীনতা, নির্বাচনী প্রশাসন, দুর্নীতি ও মানবাধিকার নিয়ে জটিল সমস্যায় জর্জরিত।



সাতদিনের সেরা