kalerkantho

বুধবার ।  ১৮ মে ২০২২ । ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৬ শাওয়াল ১৪৪৩  

ঢাকা ওয়াসা

শীতকালে পানিসংকট হলে সমাধানে তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৫ ডিসেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শুষ্ক মৌসুমে কিছু কিছু এলাকায় পানিসংকট দেখা দেয়। এবারের শীতে পানিসংকট হবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন  ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তাকসিম এ খান। এমডি জানিয়েছেন, ‘পানির পাম্পগুলোতে যাতে সমস্যা না হয়, সে জন্য বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সংকট হলে তাৎক্ষণিক পানি সরবরাহে ওয়াসার গাড়ি প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

গেল দুই বছর সমস্যা হয়নি। আশা করি এবারও হবে না। ’

গতকাল শনিবার সকালে ঢাকা ওয়াসা ভবনের বুড়িগঙ্গা হলে প্রতিষ্ঠানটির চলমান কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময়কালে তিনি এসব তথ্য সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন।

এমডি তাকসিম এ খান জানিয়েছেন, সরকারি কর্মসম্পাদন ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির আওতায় স্থানীয় সরকার বিভাগের ২০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এবার সবার সেরা হয়েছে ঢাকা ওয়াসা। ২০২০-২১ অর্থবছরে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির প্রতিবেদন ও প্রমাণ মূল্যায়নে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে ওয়াসা প্রথম হয়।

ওয়াসার এমডি আরো বলেন, “ওয়াসার মূল লক্ষ্য পরিবেশবান্ধব, টেকসই ও গণমুখী পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা। এই লক্ষ্যে ‘ঘুরে দাঁড়াও ঢাকা ওয়াসা কর্মসূচি’র আওতায় আমরা কাজ করছি। ঢাকা শহরে পানি সরবরাহের নেটওয়ার্ক পদ্ধতি নতুন করে সাজানো হচ্ছে। ”

তাকসিম এ খান বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় ঢাকা ওয়াসা এখন রোল মডেল। বর্তমানে ঢাকা ওয়াসা দৈনিক পানি উত্তোলন এবং উৎপাদন সক্ষমতা ২৭০ থেকে ২৭৫ কোটি লিটার, যা মোট চাহিদার ১০ থেকে ১৫ কোটি লিটার বেশি। এই পানির ৩৩ শতাংশ ভূ-উপরিস্থ (নদী) উৎস থেকে আর ৬৭ শতাংশ পানি ভূগর্ভস্থ থেকে নেওয়া হচ্ছে। ২০২৩ সাল নাগাদ ঢাকা নগরে সরবরাহ করা পানির ৭০

শতাংশ আসবে ভূ-উপরিস্থ পানির উৎস থেকে। বাকি ৩০ শতাংশ ভূগর্ভস্থ তথা গভীর নলকূপ থেকে।

ঢাকার ৮০ শতাংশ এলাকায় এখনো পয়োবর্জ্যের নেটওয়ার্ক নেই উল্লেখ করে ওয়াসার এমডি জানান, ঢাকা ওয়াসা ২০১৬ সাল থেকে স্যুয়ারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করেছে। পাঁচটি পয়োবর্জ্য শোধনাগার করার কার্যক্রম চলছে। ওয়াসা ২০২৭ সালের মধ্যে ঢাকা শহরের শতভাগ এলাকাকে স্যুয়ারেজ নেটওয়ার্কের আওতায় আনার চেষ্টা করছে।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ওয়াসার পরিচালক (উন্নয়ন) আবুল কাশেম, বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক উত্তম কুমার রায়, সচিব শারমিন হক আমির ও প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা নিশাত মজুমদার।



সাতদিনের সেরা