kalerkantho

সোমবার । ৩ মাঘ ১৪২৮। ১৭ জানুয়ারি ২০২২। ১৩ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

‘আজ কেন অফিসের গাড়ি এলো না’

দুর্ঘটনায় নিহতের স্ত্রীর আহাজারি

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

৫ ডিসেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘আজ কেন অফিসের গাড়ি এলো না’

চট্টগ্রাম নগরীর ঝাউতলা লেভেলক্রসিং পার হওয়ার সময় ডেমু ট্রেন, সিএনজি ও বাসের ত্রিমুখী সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়। চমেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে স্বজনদের আহাজারি। ছবি : কালের কণ্ঠ

‘আজ কেন অফিসের গাড়ি এলো না। প্রতিদিন অফিসের গাড়িতে যেত। অফিসের গাড়ি না আসায় লোকাল গাড়িতে যাচ্ছিল। প্রতিদিনের মতো আজকেও গাড়ি নিতে এলে আমার স্বামীর কিছুই হতো না।’

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে স্বামীর মরদেহের পাশে বিলাপ করছিলেন শারমিন নাহার। তাঁর স্বামী প্রকৌশলী সৈয়দ বাহাউদ্দিন আহমদ সিএনজি অটোরিকশা, টেম্পো ও বাসের ত্রিমুখী সংঘর্ষে গতকাল সকালে আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল মারা যান তিনি। এই দম্পতির দুই বছর বয়সী এক সন্তান রয়েছে।

গতকাল সকালে নগরীর ঝাউতলা খুলশী রেলওয়ে ক্রসিংয়ে ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়। এতে সৈয়দ বাহাউদ্দিন আহমদ ছাড়াও নগর ট্রাফিক পুলিশের কনস্টেবল মো. মনিরুল ইসলাম এবং নগরীর পাহাড়তলী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী সাদরাজ উদ্দিন শাহীন নিহত হয়।

বাহাউদ্দিনের পরিবার জানায়, নগরীর মুরাদপুরের বাসা থেকে বের হয়ে জালালাবাদ এলাকায় অফিসে যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ঢালি কনস্ট্রাকশন নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন তিনি। প্রতিদিন অফিসের গাড়িতে যাওয়া-আসা করতেন তিনি। তাঁর গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নানুপুর এলাকায়।

নিহত ট্রাফিক পুলিশ কনস্টেবল মো. মনিরুলের গ্রামের বাড়ি নোয়াখালী। পরিবার নিয়ে তিনি থাকতেন নগরীর চন্দুনগর বনানী আবাসিক এলাকার ভাড়া বাসায়। নিহত সাদরাজ উদ্দিন শাহীনের বাসা হামজারবাগের গাউছিয়া আবাসিক এলাকায়। তার সহপাঠীরা জানায়, সাদরাজ কলেজে বিএনসিসির সদস্য ছিল। বিজয় দিবসের কর্মসূচির প্রস্তুতি নিতে সে কলেজে যাচ্ছিল।



সাতদিনের সেরা