kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ মাঘ ১৪২৮। ১৮ জানুয়ারি ২০২২। ১৪ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানে বক্তারা

ঢাবি সংগ্রামের আলোকবর্তিকা

গত ১০০ বছর আমরা কী করেছি, সেটির চেয়ে আগামী ১০০ বছরে আমরা কী করতে পারি—সেটি নিয়ে এখন ভাবতে হবে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

৫ ডিসেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঢাবি সংগ্রামের আলোকবর্তিকা

দেশের সব আন্দোলন-সংগ্রামের আলোকবর্তিকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি)। সংস্কৃতিচর্চা, নারী জাগরণ ও মুক্তবুদ্ধি চর্চার পীঠস্থান এই বিশ্ববিদ্যালয়। তাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষে এসে এবার অতীতের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যেক অর্থবহ করতে কাজ করা প্রয়োজন।

গতকাল শনিবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আয়োজিত শতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।

উৎসবের চতুর্থ দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. শাহাদত আলীর সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, ডাকসুর সাবেক জিএস মতিয়া চৌধুরী, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে. চৌধূরী, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. মশিউর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. নিজামুল হক ভূইয়া, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার অংশ নেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘সব আন্দোলন-সংগ্রামে আলোকবর্তিকা হিসেবে সব সময় পথ দেখিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। সারা বিশ্বে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতি রয়েছে। দেশ পরিচালনায় যেসব তরুণ কাজ করে যাচ্ছেন তাঁদের বেশির ভাগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের। গত ১০০ বছর আমরা কী করেছি, সেটির চেয়ে আগামী ১০০ বছরে আমরা কী করতে পারি—সেটি নিয়ে এখন ভাবতে হবে।’

মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যেমন সুনীল আকাশ ছিল, উদার সূর্যালোক ছিল, তেমনি মেঘও ছিল। থেমে যাওয়ার পিছুটান ছিল। তার পরও এখানকার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সব মেঘ সরিয়ে মুক্তবুদ্ধির চর্চা করে গেছেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলে-মেয়েরা মুক্তবুদ্ধির চর্চার মাধ্যমে আকাশ ভেদ করে এগিয়ে যাবেন।’

রামেন্দু মজুমদার বলেন, ‘সংস্কৃতিচর্চা থেকে আমরা দূরে চলে যাচ্ছি বলে নানা সময়ে সংকট আসছে। লেখাপড়ার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমটা খুবই জরুরি। ১০০ বছরে এসে আমাদের একটা সুযোগ এসেছে অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে ভবিষ্যতের দিকে তাকানোর। কিভাবে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে আরো অর্থবহ করে তুলতে পারি।’

রাশেদা কে. চৌধূরী বলেন, ‘শুধু আন্দোলন-সংগ্রাম নয়, অনেক কিছুতেই নেতৃত্ব দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। বাংলাদেশের নারীর অগ্রযাত্রায় এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদানও অনেক, যা বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত।’

আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। এই আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা আবৃত্তি পরিবেশন করেন। গান পরিবেশন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী শিল্পী শারমিন সুলতানা সুমির ব্যান্ড দল ‘চিরকুট’।

 



সাতদিনের সেরা