kalerkantho

শুক্রবার ।  ২০ মে ২০২২ । ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৮ শাওয়াল ১৪৪৩  

শতবর্ষপূর্তির আলোচনায় বক্তারা

ঢাবির শিক্ষকরা ঐতিহ্য হারাননি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

৩ ডিসেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষকরা ঐতিহ্য হারাননি। তাঁদের পূর্বসূরিরা যে দক্ষতা ও মানসিকতা নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিয়ে গেছেন, এখনকার শিক্ষকরাও সেই ধারাবাহিকতা অটুট রেখেছেন। বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার জন্য যে চাকার প্রয়োজন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সেই ভূমিকা পালন করছে। দেশে এমন কোনো খাত নেই, যেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নেই।

বিজ্ঞাপন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষপূর্তি ও মহান স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার দ্বিতীয় দিন গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে আলোচনাসভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

আলোচনাসভায় শিক্ষকদের উদ্দেশে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘আপনারা পূর্বসূরিদের পথ ধরেই হাঁটবেন। তাঁদের পথ অনুসরণ করলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে কেবল বাংলাদেশের নয়, সারা বিশ্বের রত্ন হিসেবেই গড়ে তুলতে পারবেন। ’

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের সাবেক নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল বলেন, ‘কোনো ইমারত, কোনো বিশেষ স্থাপনা বা সপ্তম আশ্চর্যের কোনো বিষয়ের জন্য বাংলাদেশকে বিশ্ববাসী মনে করে না। বাংলাদেশকে পৃথিবীর মানুষ চেনে ছাত্র-জনতার সংগ্রামী চেতনার জন্য। আমরা যখন বিশ্ব ফোরামে বসি, তারা বারবার উচ্চারণ করে, বাংলাদেশের মানুষ অসম্ভব রকম রেজিলিয়েন্ট। ’

সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ইমেরিটাস অধ্যাপক এ কে আজাদ চৌধুরী বলেন, ‘১৯২১ সালে যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তখন শিক্ষার হার ১ শতাংশেরও নিচে ছিল। আজ ৭৫ লাখ গ্র্যাজুয়েট তৈরি করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। সমাজকে এগিয়ে নিতে এই সংখ্যা অনেক বড়। ’



সাতদিনের সেরা