kalerkantho

শুক্রবার । ১৪ মাঘ ১৪২৮। ২৮ জানুয়ারি ২০২২। ২৪ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

সাংবাদিককে মধ্যরাতে সাজা

দণ্ড থেকে অব্যাহতি পেলেন সাবেক ডিসি সুলতানা পারভীন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৮ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মধ্যরাতে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে এক সাংবাদিককে সাজা দেওয়ার ঘটনায় কুড়িগ্রামের সাবেক জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীনের দুই বছরের জন্য বেতন বৃদ্ধি স্থগিত রাখার লঘুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। পরে তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে দণ্ড মওকুফের আবেদন করলে তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

২০২০ সালের ১৩ মার্চের ওই ঘটনায় দণ্ড মওকুফের জন্য গত ৬ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করেন সুলতানা পারভীন।

গত ২৩ নভেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কে এম আলী আজম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সুলতানা পারভীন কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক (বর্তমানে ওএসডি) থাকার সময় বাংলা ট্রিবিউনের সাংবাদিক আরিফুল ইসলামকে মধ্যরাতে ধরে নিয়ে গিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেন।

বিজ্ঞাপন

এর পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর বিরুদ্ধে ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’ এর বিধি ৩(খ) অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’ এর অভিযোগে করা বিভাগীয় মামলায় গত ১৮ মার্চ কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। গত বছর ২৫ জুন লিখিত জবাব দিয়ে সুলতানা ব্যক্তিগত শুনানির প্রার্থনা করেন। গত বছর ৯ আগস্ট তাঁর শুনানি গ্রহণ করা হয়। তাঁর লিখিত জবাব ও শুনানিতে দেওয়া মৌখিক বক্তব্য সন্তোষজনক বিবেচিত না হওয়ায় ন্যায়বিচারের স্বার্থে বিভাগীয় মামলাটি তদন্ত করার জন্য বোর্ড গঠন করা হয়। বোর্ডের প্রতিবেদনে সুলতানা পারভীনের বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, তদন্ত বোর্ডের প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পর্যালোচনার পর সুলতানা পারভীনকে গুরুদণ্ড দেওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়। এরপর ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’ এর বিধি ৭(৯) অনুযায়ী গত ৮ জুন তাঁকে দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। ২২ জুন লিখিতভাবে সেই নোটিশের জবাব দেন সুলতানা পারভীন। লিখিত জবাব পর্যালোচনা করে ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’ এর ৪(২)(খ) বিধি অনুসারে তাঁকে দুই বছরের জন্য বেতন বৃদ্ধি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত দেয় মন্ত্রণালয়।



সাতদিনের সেরা