kalerkantho

শনিবার । ১৫ মাঘ ১৪২৮। ২৯ জানুয়ারি ২০২২। ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

৩৭ ধরনের নির্যাতনের শিকার তিন সহস্রাধিক নারী ও শিশু

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি   

২৭ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নারী ও কন্যাশিশুরা ৩৭ ধরনের নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশের তিন হাজার ১২৮ জন নারী ও কন্যাশিশু এ ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়। চলতি বছর বাল্যবিবাহ বেড়েছে তিন গুণেরও বেশি। বেড়েছে নারীর প্রতি সাইবার অপরাধও।

বিজ্ঞাপন

গতকাল শুক্রবার বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। দেশের ১৩টি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার তথ্যের ভিত্তিতে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি পাঠাগারে গত দুই বছরে সারা দেশে হওয়া নারী নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, গত বছর তিন হাজার ৪৪০ জন নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছিল।

২০২০ সালে এক হাজার ৭৪ জন নারী ও কন্যাশিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৮৯০ জন।

গত বছর ২৩৬ জন গণধর্ষণের শিকার হয়। চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত গণধর্ষণের শিকার হয়েছে ১৫৯ জন। এ বছর অপহরণের সংখ্যা বেড়ে এখন পর্যন্ত দাঁড়িয়েছে ১৫৩ জনে, যা গত বছর ছিল ১২৫ জন।

শুধু এ বছরের সেপ্টেম্বর মাসেই ১৮৫ জন কন্যাশিশু বাল্যবিবাহের শিকার হয়েছে। যেখানে ২০২০ সালে পুরো বছরে ৮৪ জনের বাল্যবিবাহের খবর জানা যায়।

এ বছরের অক্টোবর পর্যন্ত ৫৪ জন নারী সাইবার ক্রাইমের শিকার হন, যা গত বছর ছিল ৪৩ জন। এ ছাড়া নারী ও শিশুরা যৌন নিপীড়ন, এসিডদগ্ধ, পাচার, যৌতুকের কারণে নির্যাতন ও হত্যা, জোরপূর্বক বিয়ের মতো নানা ধরনের নির্যাতনের শিকার হচ্ছে বলে পত্রিকার খবরে উঠে আসে।

সংগঠনের পক্ষ থেকে এ বছর ৯টি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও নির্যাতিত হয়ে শ্বশুরবাড়িতে আটকে পড়া চারজন নারীকে পুলিশের মাধ্যমে উদ্ধার করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সাথী চৌধুরী। উপস্থিত ছিলেন সভাপতি শোভা পাল, সহসভাপতি নিভা রায়, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নেলী আক্তার, সাংগঠনিক সম্পাদক শামীমা সিকদার দীনা প্রমুখ।



সাতদিনের সেরা