kalerkantho

বুধবার । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ১ ডিসেম্বর ২০২১। ২৫ রবিউস সানি ১৪৪৩

যুদ্ধাপরাধ মামলার সাক্ষীকে কুপিয়ে আহত

বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার   

২৬ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কক্সবাজারের মহেশখালীর মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করেছে সন্ত্রাসীরা। গত বুধবার রাত ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আমজাদ যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলার অন্যতম সাক্ষী।

যুদ্ধাপরাধ মামলার আসামি মোহাম্মদ হাশেম সিকদারের ছেলে মহেশখালী পৌরসভার মেয়র ও কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মকছুদ মিয়ার নেতৃত্বে ওই হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেছেন মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেন। আমজাদ বর্তমানে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি শঙ্কামুক্ত নন বলে হাসপাতাল থেকে কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন তাঁর ছেলে আইনজীবী দেলোয়ার হোসেন।

দেলোয়ার হোসেন জানান, মহেশখালী উপজেলা পরিষদের মসজিদে ইশার নামাজ শেষে তাঁর বাবা রিকশায় করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে যুদ্ধাপরাধ মামলার আসামির ছেলে মেয়র মকছুদ মিয়াসহ ২৫ থেকে ৩০ জন বন্দুক, ধারালো দা ও লোহার রড নিয়ে তাঁর বাবার ওপর হামলা চালায়। মকছুদ মিয়ার নির্দেশে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা তাঁকে কুপিয়ে জখম করে। এরপর মারা গেছে মনে করে সন্ত্রাসীরা তাঁর বাবাকে স্থানীয় লিডারশীপ স্কুল অ্যান্ড কলেজের কাছে ফেলে চলে যায়। পরে তাঁকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। 

মহেশখালীর প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ার পাশা চৌধুরী জানান, মুক্তিযুদ্ধের সময় মহেশখালী দ্বীপে দুই শতাধিক লোককে হত্যা করা হয়েছিল। ১৯৭১ সালের ৬ মে দ্বীপের রাজাকার বাহিনীর সর্দাররা দুজন হিন্দু তরুণীকে ধর্ষণ করেছিল। আমজাদ সেই ঘটনারও অন্যতম সাক্ষী। মহেশখালী থানায় করা যুদ্ধাপরাধ মামলার অন্যতম প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী হওয়ায় মামলার অন্যতম আসামি মোহাম্মদ হাশেম সিকদারের ছেলে মহেশখালী পৌরসভার মেয়র মকছুদ মিয়া তাঁর ওপর ক্ষিপ্ত ছিলেন দীর্ঘদিন ধরে।

গতকাল বিকেলে মহেশখালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আশিক ইকবাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এ ব্যাপারে পুলিশ অবহিত রয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কেউ মামলা করতে আসেনি।’



সাতদিনের সেরা