kalerkantho

শুক্রবার ।  ২৭ মে ২০২২ । ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৫ শাওয়াল ১৪৪

সংবাদ সম্মেলনে বিচার দাবি

প্রতিহিংসায় বৃদ্ধের হাতে চুড়ি পরালেন জয়ী প্রার্থী

বাগেরহাট প্রতিনিধি   

২৪ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রতিহিংসায় বৃদ্ধের হাতে চুড়ি পরালেন জয়ী প্রার্থী

চুড়িটি দেখাচ্ছেন ভুক্তভোগী মোশারেফ শেখ। ছবি : কালের কণ্ঠ

বাগেরহাটের কচুয়ায় সদ্য অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে সংরক্ষিত ওয়ার্ডের পরাজিত নারী প্রার্থীর এক সমর্থকের হাতে চুড়ি পরানোর অভিযোগ উঠেছে। মো. মোশারেফ শেখ নামের একাত্তর বছর বয়সী ওই বৃদ্ধের বাড়িতে গিয়ে তাঁর হাতে চুড়ি পরানো হয়। কচুয়ার সদর ইউনিয়নের গিমটাকাঠি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে বাগেরহাট প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে মোশারেফ শেখ বলেন, ওই ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বিজয়ী ইউপি সদস্য বালী শোকরানা রব্বানি আজাদ ও তাঁর লোকজন তাঁর হাতে চুড়ি পরায়।

বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মোশারেফ শেখ জানান, গত ২০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত কচুয়ার সদর ইউপি নির্বাচনে তিনি ১, ২ ও ৩ নম্বর সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী সদস্য প্রার্থী সেলিনা বেগম সেলিকে সমর্থন দেন। তালগাছ প্রতীক নিয়ে সেলি নির্বাচনে হেরে যান। নির্বাচিত হন বই প্রতীকের মোহিনী বেগম। আর ওই ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য নির্বাচিত হন বালী শোকরানা রব্বানি আজাদ। মোহিনী ছিলেন বালী শোকরানার সমর্থিত প্রার্থী।

মোশারেফ শেখ অভিযোগ করেন, ভোটের পর থেকেই তাঁকে বালী শোকরানা ও তাঁর লোকজন নানাভাবে হুমকি-ধমকি দিতে থাকে। গত সোমবার বিকেলে বালী শোকরানা ও তাঁর সমর্থক হাজরাখালী গ্রামের ইকতিয়ার হোসেন, শহিদুল শেখসহ ১৫ থেকে ২০ জন লোক তাঁর বাড়িতে গিয়ে নানারকম হুমকি দেয়। এক পর্যায়ে স্ত্রী, পুত্রবধূসহ পরিবারের সদস্যদের সামনে তাঁর হাতে চুড়ি পরিয়ে দেয়। পরে ঘটনার কথা তারা এলাকায় প্রচার করলে উত্সুক স্থানীয়রা তাঁকে দেখতে বাড়িতে ভিড় জমায়। মোশারেফ শেখ বলেন, ‘এই অপমান নিয়ে আমি কী করে সমাজে বেঁচে থাকি। এলাকায় বাস করাই আমার পক্ষে কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। ’ এ ঘটনার বিচার না হলে তাঁর মৃত্যু ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান ওই বৃদ্ধ। এ সময় তাঁর পাশে উপস্থিত ছিলেন সেলিনা বেগম সেলি ও মোশারেফ শেখের ছেলে মো. রেজাউল শেখ।

অভিযোগের বিষয়ে বালী শোকরানা জানান, এলাকার একটি কুচক্রীমহল তাঁর মানসম্মান ক্ষুণ্ন করার জন্য সম্পূর্ণ মিথা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ এনেছে। এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।



সাতদিনের সেরা