kalerkantho

শনিবার । ২৫ জুন ২০২২ । ১১ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৪ জিলকদ ১৪৪৩

দাওয়াই

কোমল পানীয়ের ক্ষতি অনেক

হরহামেশাই কোমল পানীয় পান করা যেন আমাদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। অনেকে তো কোমল পানীয় ছাড়া সাধারণ পানীয় তেমন পান করেনই না। অথচ এসব পানীয়ের রয়েছে নানা শারীরিক ক্ষতি।

২৩ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কোমল পানীয়ের ক্ষতি অনেক

মেটাবলিক সিনড্রোম : কোমল পানীয় ‘মেটাবলিক সিনড্রোম’ বা বিপাকীয় প্রক্রিয়ার বিভিন্ন সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়। আছে উচ্চ রক্তচাপের আশঙ্কাও। প্রতিদিন একবার কার্বোনাইটেড পানীয় খাওয়াই কিডনি বা বৃক্কে পাথর হওয়া এবং অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত করার জন্য যথেষ্ট।

অ্যাজমার প্রকোপ বাড়ায় : কোমল পানীয়ে থাকা সোডিয়াম বেনজোয়েট খাবারে প্রিজারভেটিভ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

বিজ্ঞাপন

এটা খাবারে সোডিয়ামের মাত্রা বাড়ায়, পটাসিয়াম শোষণে বাধা দেয়। সোডিয়াম বেনজোয়েট শরীরে অ্যালার্জি, র‌্যাশ, অ্যাকজিমা ও হাঁপানির প্রকোপ বাড়ায়।

দাঁতের এনামেল ক্ষয় হয় : চিনি ও অম্লীয় উপাদান দুটিই প্রচুর পরিমাণে থাকে কার্বোনেটেড পানীয়তে। কোমল পানীয়ে থাকা সুগার ও এসিড দাঁতের এনামেল ক্ষয় করে। এতে স্নায়ুগুলো সহজেই আক্রান্ত হয়। ফলে দাঁত শিরশির করে।

হৃদরোগ ও ডায়াবেটিস : এতে থাকা উচ্চমাত্রার ফ্রুক্টোজ কর্ন সিরাপ হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়।

হরমোন ও প্রজনন স্বাস্থ্যের ঝুঁকি বাড়ায় : ক্যান ও প্লাস্টিক বোতলগুলোতে থাকা বিশেষ ধরনের রাসায়নিক পদার্থের কোটিং ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। সেই সঙ্গে হরমোন সিস্টেমে গণ্ডগোল ও প্রজনন স্বাস্থ্যের ঝুঁকিও বাড়ায়।

কিডনির অসুখ : কোমল পানীয়তে থাকে ফসফরিক এসিড, যা কিডনিতে পাথর এবং কিডনির অন্যান্য অসুখ সৃষ্টি করে।

সুগার ওভারলোড : এটা খেলে রক্তে সুগারের মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যায়, যা ইনসুলিন নিঃসরণকারী বিটা কোষগুলোতে চাপ বাড়ায়। তখন অতিরিক্ত সুগারকে লিভার ফ্যাটে পরিণত করে। এ ঘটনাগুলো কোল্ড ড্রিংকস খাওয়ার প্রথম ২০ মিনিটেই ঘটে যায়।

ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায় : কোমল পানীয় দেহে অক্সিজেনের পরিমাণ কমিয়ে ক্যান্সার ঝুঁকি বাড়ায়। ক্যারামেলের রং আনার জন্য কোমল পানীয়ে পলি-ইথিলিন গ্লারাইকোল নামে যে রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হয়, তা ক্যান্সার সৃষ্টির জন্য দায়ী।

মূত্রাশয়ের ক্যান্সার সৃষ্টি করে : কোমল পানীয়ে যে পরিমাণ স্যাকারিন ব্যবহার করা হয়, তা ইউরিনারি ব্লাডার ক্যান্সার অর্থাৎ মূত্রাশয়ের ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে।



সাতদিনের সেরা