kalerkantho

সোমবার । ১৪ মাঘ ১৪২৮। ১৭ জানুয়ারি ২০২২। ১৩ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

উদ্ধার করা আট সুন্দি কচ্ছপ জাবির লেকে অবমুক্ত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

৬ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সাভারের নামাবাজার এলাকায় বিক্রির উদ্দেশ্যে আনা আটটি সুন্দি কচ্ছপ উদ্ধার করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অবমুক্ত করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ডিপ ইকোলজি অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় কচ্ছপগুলো উদ্ধার করে বন বিভাগের বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট। এ সময় দুই কচ্ছপ বিক্রেতাকে আটক করে পরে ছেড়ে দেওয়া হয়।

স্থানীয় বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, খাওয়ার চাহিদা থাকায় কচ্ছপ শিকার ও বিক্রিতে মাছ বিক্রেতাদের বেশে একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত।

ডিপ ইকোলজি অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ ফাউন্ডেশনের সভাপতি মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘সুন্দি কচ্ছপ দেশের সব জলাশয়ে আগে অনেক দেখা গেলেও এখন এর সংখ্যা কম। আবাসস্থল ধ্বংস, অবৈধ শিকার ও জলাশয় দূষণের কারণে বিপন্ন হয়ে পড়ছে এই কচ্ছপ। আমরা চাই মানুষ সচেতন হোক এবং বিলুপ্তপ্রায় এসব প্রাণী রক্ষায় এগিয়ে আসুক।’

বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিদর্শক নার্গিস সুলতানা বলেন, ‘সাভারের নামাবাজারে স্থানীয় লোকজন সুন্দি কচ্ছপ বিক্রি করছে, এমন খবরে অভিযান চালিয়ে আমরা তাদের আটক করি এবং তাদের কাছে থাকা জীবিত কচ্ছপ উদ্ধার করি। পরে তাদের মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছি। আমরা আইন প্রয়োগ করার মধ্য দিয়ে নয়, বরং মানুষকে সচেতন করার মধ্য দিয়ে বিপন্ন এসব প্রাণীকে রক্ষা করতে চাই।’

সুন্দি কচ্ছপ সম্পর্কে বাংলাদেশ বন বিভাগের বন্য প্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা এবং তরুণ বন্য প্রাণী গবেষক জোহরা মিলা জানান, এই প্রজাতির কচ্ছপ স্থানীয়ভাবে ‘চিতি কচ্ছপ’ নামেও পরিচিত। দু-তিন দশক আগেও দেশের নদী, খাল, বিল, হাওর ইত্যাদি জলাশয়ে প্রচুর সুন্দি কচ্ছপ দেখা যেত, তবে বাসস্থান ধ্বংস, জলাশয় ?দূষণ ও ক্রমাগত শিকারের কারণে এই প্রাণী হারিয়ে যেতে বসেছে।

বাংলাদেশের বন্য প্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন ২০১২ অনুযায়ী কচ্ছপের এই প্রজাতি সংরক্ষিত।

 



সাতদিনের সেরা