kalerkantho

সোমবার । ১৪ মাঘ ১৪২৮। ১৭ জানুয়ারি ২০২২। ১৩ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

ইন্টারনেট ব্যবহার নিয়ে টেলিনরের জরিপ

সপ্তাহে একাধিকবার বুলিংয়ের শিকার ৮ শতাংশ তরুণ

করোনায় সারাক্ষণ ইন্টারনেট ব্যবহার করেছে ৩৫% তরুণ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনাকালে দেশের তরুণদের মধ্যে ইন্টারনেটনির্ভরতা বেড়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় পড়ালেখার পাশাপাশি অনেকে ইন্টারনেট আসক্তিতে পড়েছে। আর অনলাইনে বেশি সময় কাটানোয় তাদের বড় অংশই সাইবার বুলিংয়ের (অনলাইনে কোনো শিশুকে প্রলুব্ধ, হেয় করা, ভয় দেখানো এবং মানসিক নির্যাতন করা) শিকার হচ্ছে। ৮৬ শতাংশ তরুণ কভিড-১৯ মহামারির শুরু থেকে ইন্টারনেটে আরো বেশি সময় কাটাচ্ছে। ৩৫ শতাংশ সারাক্ষণই ইন্টারনেট ব্যবহার করে, ১৫ শতাংশ প্রধানত সন্ধ্যায় ব্যবহার করে এবং ২ শতাংশ শুধু স্কুল চলাকালীন সময়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকে।

গ্রামীণফোন ও টেলিনর গ্রুপ, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল পরিচালিত জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে। রবিবার গ্রামীণফোনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। চলতি বছরের আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসব্যাপী পরিচালিত একটি জরিপে এই চিত্র উঠে আসে। বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান ও থাইল্যান্ডে জরিপটি পরিচালিত হয়। এই জরিপে মোট তিন হাজার ৯৩০ জন অংশ নেয়, যার মধ্যে ১৬ শতাংশ অংশগ্রহণকারী ছিল বাংলাদেশি তরুণ।

বাংলাদেশে চালানো জরিপের অধীনে এ-ও জানা যায়, তরুণদের ৮৫ শতাংশের মতে, অনলাইন বুলিং একটি মারাত্মক সমস্যা। দেশে বর্তমানে ডিজিটাইজেশনের যে ধারা পরিলক্ষিত হচ্ছে, তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এই বিষয়টির দিকে নজর রাখা এবং সচেতনতা তৈরির গুরুত্বও এখন অনেক বেড়েছে।

জরিপে অংশ নেওয়া দেশের ২৯ শতাংশ তরুণ জানিয়েছে, কভিড প্রাদুর্ভাবের আগেই তারা বুলিংয়ের শিকার হয়েছে, যেখানে ১৮ শতাংশ জানিয়েছে, বৈশ্বিক মহামারি শুরুর পর থেকে তারা আরো বেশি অনলাইন বুলিংয়ের শিকার হয়েছে।

বাংলাদেশের ৮ শতাংশ তরুণ সপ্তাহে অন্তত এক বা একাধিকবার অনলাইন বুলিংয়ের ভিকটিম হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, মেসেজিং অ্যাপস এবং অনলাইন গেমিং ও ভিডিও গেম স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে তিনটি মাধ্যমে সাধারণত তরুণরা সবচেয়ে বেশি অনলাইনে হয়রানির শিকার হচ্ছে।

চারটি দেশ থেকে অংশগ্রহণকারীরা অনলাইনে বুলিং থামাতে তাদের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে। এর মধ্যে রয়েছে বুলিংকারীকে উপেক্ষা করা, ফলে ওই ব্যক্তিকে থামানো সম্ভব হয়; সিকিউরিটি সেটিংস পরিবর্তন করা, যাতে উত্ত্যক্তকারী ব্যক্তি তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারে এবং মা-বাবা বা অভিভাবকের সঙ্গে এই সমস্যা সম্পর্কে আলোচনা করা।



সাতদিনের সেরা