kalerkantho

মঙ্গলবার । ১১ মাঘ ১৪২৮। ২৫ জানুয়ারি ২০২২। ২১ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

বিচারপ্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে না

নরসিংদী প্রতিনিধি   

১ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিচারপ্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে না

‘আধুনিক নরসিংদীর রূপকার ছিলেন মেয়র লোকমান। জনপ্রিয়তাই তাঁর জীবনে কাল হয়েছে। সন্ত্রাসীরা তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। দীর্ঘদিনেও বিচারপ্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় অজানা কষ্ট আমার, পুরো নরসিংদীবাসীর।

বিজ্ঞাপন

’ এভাবেই বলছিলেন ১০ বছর আগে ২০১১ সালের এই দিনে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত নরসিংদীর পৌর মেয়র ও শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লোকমান হোসেনের স্ত্রী সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য তামান্না নুসরাত বুবলী।

লোকমান হত্যার ১০ বছর পার হলেও ধুঁকছে বিচারপ্রক্রিয়া। হত্যা মামলাটির খোঁজ নিতে গিয়ে জানা যায়, হত্যার প্রায় সাত বছর পর ২০১৯ সালের শুরুতে ওই মামলার অভিযোগপত্রের ওপর বাদীর নারাজির পরিপ্রেক্ষিতে পুনঃ তদন্তের নির্দেশ দেন উচ্চ আদালত, কিন্তু আদালত পুনঃ তদন্তে শুধু বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে তদন্তকাজ শেষ করেন। এ ঘটনায় রিভিশন চেয়ে বাদী জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আবেদন করেন। করোনার কারণে দীর্ঘদিন আদালতের কার্যক্রমে স্থবিরতা বিরাজ করায় বর্তমানে তা শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।

এদিকে লোকমান হোসেনের দশম মৃত্যুবাষির্কী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে জনবন্ধু শহীদ লোকমান পরিষদ। এর মধ্যে রয়েছে প্রয়াত লোকমান হোসেনের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, দোয়া মাহফিল, গণভোজ, বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা ইত্যাদি।

মামলার বাদী ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের ১ নভেম্বর লোকমান হোসেনকে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে গুলি করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। এ হত্যার ঘটনায় লোকমানের ছোট ভাই নরসিংদী শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. কামরুজ্জামান কামরুল বাদী হয়ে তৎকালীন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ  রাজুর ছোট ভাই সালাহউদ্দিন আহমেদ বাচ্চুকে প্রধান আসামি করে ১৪ জনের নামে একটি হত্যা মামলা করেন।

মামলার বাদী মেয়র কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, ‘পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্রটি সঠিক ছিল না। সেখানে অভিযুক্ত ১৪ আসামির মধ্যে ১১ আসামিকেই বাদ দেওয়া হয়েছিল। যত দিন প্রকৃত অপরাধীরা বিচারের আওতায় না আসবে, তত দিন আইনি লড়াই চালিয়ে যাব। ’



সাতদিনের সেরা