kalerkantho

শুক্রবার ।  ২৭ মে ২০২২ । ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৫ শাওয়াল ১৪৪

সাংবাদিকদের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনের মতবিনিময়

অভ্যন্তরীণ দীর্ঘ প্রক্রিয়া প্রকল্প বাস্তবায়নের বড় অন্তরায়

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৯ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



প্রকল্প গ্রহণ থেকে বাস্তবায়নের আগ পর্যন্ত যে প্রক্রিয়া অনেক বেশি দীর্ঘ। তাই বাংলাদেশি প্রকল্প বাস্তবায়নে নির্ধারিত সময়ের বেশি লাগে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ইনফ্রাস্ট্রাকচার বিভাগের উপদেষ্টা পঙ্কজ কুমার সিং। তিনি বলেছেন, প্রতিটি প্রকল্প চূড়ান্ত করতে লম্বা সময়ের প্রয়োজন হয়। তবে প্রকল্প প্রণয়ন ও পরিকল্পনার সামগ্রিক মান উন্নত করার ক্ষেত্রে সময় কমিয়ে আনা সম্ভব হলে যথাসময়ে বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।

বিজ্ঞাপন

ভারতের ঋণে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পগুলোর সর্বশেষ অবস্থা জানতে দাতা সংস্থা এক্সিম ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার একটি প্রতিনিধিদল এবং ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল যৌথভাবে বাংলাদেশ সফর করেছে। গত ২৬ ও ২৭ অক্টোবর এ নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। বৈঠকের পরিস্থিতি সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরতে ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন এক মতবিনিময়সভার আয়োজন করে। হাইকমিশন অফিসে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে বাংলাদেশকে দেওয়া ভারতীয় ঋণের সর্বশেষ অবস্থা এবং ঋণের অর্থায়নে প্রকল্পের অবস্থা তুলে ধরেন পঙ্কজ কুমার সিং। এ সময় দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি সলোনি শাহী, সেকেন্ড সেক্রেটারি প্রতীক ডি. নাগি, ভারতীয় এক্সিম ব্যাংকের জেনারেল ম্যানেজার সরোজ কুন্তায়, প্রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ প্রিয়াংশু তিওয়ারিসহ দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময়সভায় জানানো হয়, আগামী ১ জুনের মধ্যে ভারতীয় ঋণের প্রায় ১০০ কোটি ডলার ছাড় করা সম্ভব হবে।

দুই দিনের বৈঠকে বাংলাদেশে প্রকল্প বাস্তবায়নে কী ধরনের অন্তরায় চিহ্নিত করা হয়েছে জানতে চাইলে প্রঙ্কজ কুমার সিং বলেন, অনেক প্রকল্প ডিপিপিতে দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হয়। প্রকল্প ফিজিবিলিট স্ট্যাডি করতেও সময় প্রয়োজন হচ্ছে। ফলে একটি প্রকল্প শুরু করতেই লম্বা সময় চলে যাচ্ছে। কাজের দরপত্র আহবান ও দরপত্র অনুযায়ী ঠিকাদারদের কাজ দেওয়ার সিস্টেমে অনেক সময় যাচ্ছে। এটি কমিয়ে আনতে মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ভারতীয় ঋণের শর্ত অনেক কঠিন এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রায় প্রতিটি প্রকল্পে ঋণের মেয়াদ ২০ বছর। গ্রেস পিরিয়ড ধরা হয়েছে পাঁচ বছর, যা অন্যান্য দাতা সংস্থাগুলো থেকে অনেক সহজ।

এ পর্যন্ত ভারতের ঋণের কত টাকা ছাড় করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গত এক দশকে তিনটি এলওসি বা লাইন অব ক্রেডিট ধরনের ঋণের আওতায় নেওয়া হয়েছে ৭০০ কোটি মার্কিন ডলার। ২০১০ সাল থেকে সরকার ১৪টি প্রকল্প বাস্তবায়নে ৪১ কোটি ডলার ব্যয় করেছে। এই প্রকল্পগুলোর মধ্যে ১২টির অর্থায়ন হয়েছে ২০১০ সালের আগস্টে স্বাক্ষরিত প্রথম এলওসির অর্থ দিয়ে। অন্য দুটি প্রকল্প ছিল ২০১৬ সালে স্বাক্ষরিত তৃতীয় এলওসির অধীনে।



সাতদিনের সেরা