kalerkantho

শুক্রবার ।  ২৭ মে ২০২২ । ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৫ শাওয়াল ১৪৪

ব্র্যাকের ‘কভিড-১৯ ইয়ার বুক ২০২০’ প্রকাশ

সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দুর্যোগ সামাল দিয়েছে বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৯ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, দাতাগোষ্ঠী, করপোরেট প্রতিষ্ঠানসহ সবাই মিলে কাজ করলে যেকোনো দুর্যোগ যে সফলভাবে সামাল দেওয়া যায়, বৈশ্বিক করোনা মহামারি মোকাবেলায় বাংলাদেশ তার একটি উদাহরণ তৈরি করেছে। রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক আয়োজিত ‘কভিড-১৯ ইয়ার বুক ২০২০’-এর প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথা বলেন।

ব্র্যাকের ঊর্ধ্বতন পরিচালক এ কে এম মোর্শেদের সঞ্চালনায় ‘কভিড-১৯ ইয়ার বুক ২০২০’-এর এই প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেন, ‘সামনের দিনে যদি করোনা আবারও হানা দেয় তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় তা মোকাবেলায় আমরা একইভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করব।

বিজ্ঞাপন

’ দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য সরকার এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলো অংশীদারির ভিত্তিতে কাজ করে যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

‘কভিড-১৯ ইয়ার বুক ২০২০’-এর সংক্ষিপ্তসার উপস্থাপন করেন ব্র্যাকের স্বাস্থ্য কর্মসূচির পরিচালক ডা. মোর্শেদা চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী জনস্বাস্থ্য সংকটে জাতির জরুরি প্রয়োজনে সাড়া দিতে গিয়ে আমাদের সম্মিলিত শিক্ষা ও অভিজ্ঞতার পাশাপাশি যেসব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছিল, তা-ও এই বইয়ে তুলে ধরা হয়েছে। এর ফলে ব্র্যাক ও অন্যান্য সংস্থা ভবিষ্যতেও এ ধরনের সংকট মোকাবেলায় একে রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে। ’ 

ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ তাঁর সূচনা বক্তব্যে অংশীদার সংস্থাগুলোকে ধন্যবাদ দিয়ে বলেন, করোনা মোকাবেলায় সরকার এবং বেসরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে বিদ্যমান আস্থা সত্যি আশাব্যঞ্জক। এই পার্টনারশিপ ভবিষ্যতেও যেকোনো দুর্যোগ মোকাবেলায় সুদৃঢ়ভাবে কাজ করবে বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি।  

যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল আর মিলার জানান, কভিড-১৯ মোকাবেলায় সরকার, ব্র্যাক এবং অন্যান্য অংশীদার সংস্থার সঙ্গে মার্কিন সরকার একসঙ্গে কাজ করতে পেরে গর্বিত।

ব্র্যাক যেভাবে করোনা মোকাবেলায় দেশের সুুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে তা অনুকরণীয় বলে জানান অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার জেরেমি ব্রুয়ার।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব নাজমুল হক খান বলেন, যেকোনো দুর্যোগ মোকাবেলায় সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টাই পারে তা থেকে উত্তরণের পথ বাতলে দিতে, ঠিক এমনটাই হয়েছে করোনা মোকাবেলায়। সামনের দিনেও একইভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

কভিড মোকাবেলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার তাগিদের কথা জানিয়ে এনজিও ব্যুরোর পরিচালক ড. মো. আশফাকুল ইসলাম বাবলু বলেন, মহামারিতে তৃণমূল মানুষের দোরগোড়ায় প্রয়োজনীয় সেবা পৌঁছে দিতেই এই ঐক্যকে আরো জোরদার করতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ইউনিলিভারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাভেদ আখতার, গ্রামীণফোনের প্রধান অর্থনৈতিক কর্মকর্তা জেমস বেকার, কানাডিয়ান হাইকমিশনের সিনিয়র ডেভেলপমেন্ট অফিসার জো লন্ড্রি এবং যুক্তরাজ্য সরকারের ফরেন কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিসের (এফসিডিও) ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর জুডিথ হার্বাটসন।



সাতদিনের সেরা