kalerkantho

শুক্রবার ।  ২৭ মে ২০২২ । ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৫ শাওয়াল ১৪৪

সম্প্রীতি সংলাপ ও সমাবেশ

সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা সরকারকেই দিতে হবে

চট্টগ্রাম অফিস ও কুমিল্লা সংবাদদাতা   

২৯ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দুর্গোৎসবের সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতার ঘটনার পর সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দেওয়ার জোরালো তাগিদ এসেছে। কুমিল্লায় সম্প্রীতি সংলাপ ও চট্টগ্রামে সম্প্রীতি সমাবেশে এমন তাগিদ দিয়ে বক্তারা বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারকেই তাদের নিরাপত্তা দিতে হবে। এ ছাড়া সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন করারও দাবি এসেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার কুমিল্লায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজন করা হয় আন্তর্ধর্মীয় সংলাপ।

বিজ্ঞাপন

আর চট্টগ্রামে নগরের নন্দনকানন চত্বরে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘের (ইসকন) চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটি আয়োজন করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি পুনরুদ্ধার সমাবেশ।

কুমিল্লায় সকাল ১১টা থেকে শুরু হওয়া সংলাপে যোগ দেয় মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বিভিন্ন পেশার মানুষ। সেখানে সব ধর্মের লোক একই সুরে বলেছে, প্রাচীনকাল থেকেই কুমিল্লায় অসাম্প্রদায়িকতার চর্চা হয়ে আসছে। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে এই এলাকার অনেক গুণী ব্যক্তির অবদান রয়েছে। এখানে পদধূলি পড়েছে মহাত্মা গান্ধী, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম, দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মওলানা ভাসানীসহ অসংখ্য গুণীজনের। গৌরব আর ঐতিহ্যের কুমিল্লায় অসাম্প্রদায়িকতা কিছু দুষ্ট মানুষের জন্য নষ্ট হতে পারে না।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংলাপে প্রধান অতিথি ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান বলেন, কুমিল্লার ঘটনাটি যারা ঘটিয়েছে তারা কোনো ধর্মের মানুষ হতে পারে না। তাদের পরিচয় হলো তারা অমানুষ।



সাতদিনের সেরা