kalerkantho

শনিবার । ১৫ মাঘ ১৪২৮। ২৯ জানুয়ারি ২০২২। ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

বঙ্গবন্ধু হত্যা

তদন্ত কমিশন গঠন করতে রিট

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৬ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যার ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে থাকা কুশীলবদের খুঁজে বের করতে তদন্ত কমিশন গঠনের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

গতকাল সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সুবীর নন্দী দাসের পক্ষে অ্যাডভোকেট মো. আসফাকোজ্জোহা এই রিট দায়ের করেন।

বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চে আগামী সপ্তাহে আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে। মন্ত্রিপরিষদসচিব, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিবকে রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

রিট আবেদন সম্পর্কে অ্যাডভোকেট সুবীর নন্দী দাস বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনায়কদের হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তদন্ত কমিশন গঠনের নজিরসহ এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনের আলোকে নানা দেশের আদালত কর্তৃক প্রকাশিত রায়ের নজির এতে তুলে ধরা হয়েছে। ১৯৮২ সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের কয়েকজন সদস্যের গঠন করা বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের তদন্ত কমিশনের প্রাথমিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মম হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্র এবং তৎপরবর্তী পদক্ষেপগুলো সম্পূর্ণ পর্যালোচনা ও নিরীক্ষার লক্ষ্যে একটি স্বাধীন জাতীয় কমিশন চেয়ে রিট দায়ের করেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর পরিবার ও জাতীয় চার নেতা হত্যার ঘটনায় প্রথম অনুসন্ধান কমিশন গঠিত হয় ১৯৮০ সালে যুক্তরাজ্যে। বাংলাদেশে আইন করে বিচারের পথ রুদ্ধ হয়ে যাওয়ায় শান্তিতে নোবেল পুরস্কারজয়ী শন ম্যাকব্রাইডসহ চার ব্রিটিশ আইনবিদ মিলে এ কমিশন গঠন করেছিলেন। তবে অনুসন্ধানের কাজে এই কমিশনকে বাংলাদেশে ভিসা দেয়নি জিয়াউর রহমানের সরকার।

ওই অনুসন্ধান কমিশনের প্রতিবেদনটি ‘শেখ মুজিব মার্ডার ইনকোয়ারি : প্রিলিমিনারি রিপোর্ট অব দ্য কমিশন অব ইনকোয়ারি’ শিরোনামে পুস্তিকা আকারে লন্ডনের র?্যাডিক্যাল এশিয়া পাবলিকেশনস থেকে ১৯৮২ সালের নভেম্বরে প্রকাশিত হয়। এর মুখবন্ধ লিখেছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি লিখেছিলেন, ‘বারবার প্রতিশ্রুতি দেওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশের সরকার একজন হত্যাকারীকেও বিচারের মুখোমুখি করেনি। বস্তুত এসব হত্যাকারী এবং তাদের সহযোগী ষড়যন্ত্রকারীরা সরকারের কাছ থেকে সুরক্ষা এবং সহযোগিতা পেয়ে এসেছে। এদের কাউকে কাউকে বিদেশে কূটনৈতিক মিশনে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অন্যরা দেশেই নানা সুবিধাজনক অবস্থানে আছে। এভাবে অপরাধকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। ’



সাতদিনের সেরা