kalerkantho

শনিবার । ১৫ মাঘ ১৪২৮। ২৯ জানুয়ারি ২০২২। ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

আবুল মকসুদের আজ ৭৫তম জন্মবার্ষিকী

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আবুল মকসুদের আজ ৭৫তম জন্মবার্ষিকী

কলাম লেখক, চিন্তাবিদ ও গবেষক সৈয়দ আবুল মকসুদের ৭৫তম জন্মবার্ষিকী আজ। এ উপলক্ষে আজ বিকেলে দ্য ডেইলি স্টারে ‘সৈয়দ আবুল মকসুদের জীবন ও কীর্তি’ শীর্ষক একটি আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

সৈয়দ আবুল মকসুদের জন্ম ১৯৪৬ সালের ২৩ অক্টোবর মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় উপজেলার এলাচিপুর গ্রামে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং সাংবাদিকতায় উচ্চতর প্রশিক্ষণ নেন জার্মানির বার্লিনে ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর জার্নালিজম থেকে।

বিজ্ঞাপন

ছাত্রজীবনে আবুল মকসুদ ছিলেন ছাত্র ইউনিয়নের সক্রিয় কর্মী। একাত্তরের ২৫ মার্চের পরে মস্কোপন্থী ন্যাপের নেতা ক্যাপ্টেন (অব.) আব্দুল হালিম চৌধুরীর গঠিত মুক্তিবাহিনীর সদস্য হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় ভূমিকা রাখা ছাড়াও কলকাতা থেকে প্রকাশিত আব্দুল মান্নান সম্পাদিত জয়বাংলায় যুক্ত ছিলেন। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের পর বাংলাদেশ সরকারের ইনফরমেশন সেলে যোগ দেন। ১৯৭২ সালের জানুয়ারিতে বার্তা সংস্থা বাংলাদেশ প্রেস ইন্টারন্যাশনালে (সাবেক পিপিআই) যোগ দেন, যা পরে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার সঙ্গে অঙ্গীভূত করা হয়। বাসসে ছিলেন বার্তা সম্পাদক ও উপপ্রধান বার্তা সম্পাদক। চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত দৈনিক সুপ্রভাত বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি তিনি মারা যান।

সাহিত্য অঙ্গনে সৈয়দ আবুল মকসুদের আবির্ভাব ষাটের দশকে। কবিতা, গল্প, প্রবন্ধসহ সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় কাজ করেন তিনি। একজন গবেষক হিসেবে তিনি বহু মৌলিক আকর গ্রন্থের প্রণেতা। তাঁর রচিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর জীবন ও সাহিত্য, মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, পথিকৃৎ নারীবাদী খয়রুন্নেসা খাতুন প্রভৃতি। বাংলাদেশে মহাত্মা গান্ধী বিষয়ে গবেষণার পথিকৃৎ সৈয়দ আবুল মকসুদ। গবেষণায় আবুল মকসুদের আরেকটি অনন্য অবদান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা, সলিমুল্লাহ মুসলিম হল—এগুলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসচর্চায় অবশ্যপাঠ্য হয়ে উঠেছে। তাঁর রচিত গ্রন্থ ৪০টিরও বেশি।



সাতদিনের সেরা