kalerkantho

বুধবার । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ১ ডিসেম্বর ২০২১। ২৫ রবিউস সানি ১৪৪৩

এনইউজির সঙ্গে আবার বৈঠক যুক্তরাষ্ট্রের

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

২৩ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মিয়ানমারের জান্তাবিরোধী জাতীয় ঐক্য সরকারের (ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট-এনইউজি) প্রতিনিধির সঙ্গে আবারও বৈঠকে বসেছে যুক্তরাষ্ট্র। এবারের বৈঠকে দেশটির পক্ষে অংশ নিয়েছেন পররাষ্ট্র দপ্তরের দ্বিতীয় শীর্ষ ব্যক্তি ডেপুটি সেক্রেটারি ওয়েন্ডি শারমেন। অন্যদিকে মিয়ানমারের ঐক্য সরকারের পক্ষে ছিলেন জাতিসংঘে মিয়ানমারের স্থায়ী প্রতিনিধি চিয়াও মোয়ে তুন। গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় ভোরে ওয়াশিংটন ডিসিতে পররাষ্ট্র দপ্তরে এই বৈঠক হয়।

গত ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের পর জাতিসংঘে দেশটির স্থায়ী প্রতিনিধি চিয়াও মোয়ে তুন জান্তাকে সমর্থন জানাতে অস্বীকৃতি জানান। পরে ১৬ এপ্রিল জাতীয় ঐক্য সরকার গঠিত হলে তিনি সেই সরকারের প্রতি সমর্থন জানান। বর্তমানে তিনি ঐক্য সরকারের পক্ষে জাতিসংঘে মিয়ানমারের জান্তাবিরোধী দূতিয়ালি করছেন। একই সঙ্গে তিনি জান্তার আপত্তি সত্ত্বেও জাতিসংঘে মিয়ানমারের প্রতিনিধিত্ব করছেন।

এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের কাউন্সেলর ডেরেক শ্যালেটের সঙ্গে মিয়ানমারের জাতীয় ঐক্য সরকারের যে প্রতিনিধিদলটি বৈঠক করেছিল সেই দলে রাষ্ট্রদূত চিয়াও মোয়ে তুনও ছিলেন।

এবারের বৈঠকের পর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ডেপুটি সেক্রেটারি ওয়েন্ডি শারমেন এক টুইট বার্তায় লিখেছেন, ‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় অবশ্যই কিভাবে এক সুরে কথা বলতে পারে, সে বিষয়ে আমি ও জাতিসংঘে বার্মিজ স্থায়ী প্রতিনিধি আলোচনা করেছি। আমরা সহিংসতা বন্ধ, অন্যায়ভাবে আটক সব ব্যক্তিকে মুক্তি, নিপীড়নের বিষয়ে সুরাহা এবং বার্মায় অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য সামরিক কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানাই।’

এর জবাবে রাষ্ট্রদূত চিয়াও মোয়ে তুন টুইট বার্তায় লিখেছেন, ‘ম্যাডাম ডেপুটি সেক্রেটারি ওয়েন্ডি শারমেন আপনার সময় ও সমর্থনের জন্য অনেক ধন্যবাদ। অব্যাহত সমর্থনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ ও সরকারকে আমরা ধন্যবাদ জানাই। গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার জন্য আমাদের সংগ্রামে আমরা আপনাদের কাছে আরো স্থায়ী ও জোরালো সমর্থন পাওয়ার অপেক্ষায় আছি।’

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের কাউন্সেলর ডেরেক শ্যালেটের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়ায় ছয় দিনের সফর গতকাল শুক্রবার শেষ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগেই জানিয়েছিল, এই সফরের মধ্য দিয়ে প্রতিনিধিদলটি মিয়ানমারের জনগণের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন জানাবে।



সাতদিনের সেরা