kalerkantho

মঙ্গলবার । ১১ মাঘ ১৪২৮। ২৫ জানুয়ারি ২০২২। ২১ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

সংক্ষিপ্ত

রয়ালটি হিসেবে চার লাখ টাকা পেল আইয়ুব বাচ্চুর পরিবার

শেকৃবি প্রতিনিধি   

১৩ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রয়ালটি হিসেবে চার লাখ টাকা পেল আইয়ুব বাচ্চুর পরিবার

বাংলাদেশ কপিরাইট অফিসের উদ্যোগে গতকাল জাতীয় আর্কাইভস ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আইয়ুব বাচ্চুর স্ত্রী ফেরদৌস আক্তারের হাতে কপিরাইটের জন্য নিবন্ধিত ২৭২টি গানের স্বত্ব বাবদ অর্জিত অর্থের চেক তুলে দেওয়া হয়। ছবি : কালের কণ্ঠ

বাংলা ব্যান্ডসংগীতের উজ্জ্বল নক্ষত্র প্রয়াত কণ্ঠশিল্পী আইয়ুব বাচ্চুর কপিরাইট করা সংগীতের চার লাখ টাকার রয়ালটি তাঁর স্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বিভিন্ন মিডিয়া থেকে এসব গানের রয়ালটি হিসেবে প্রায় পাঁচ হাজার ডলার অর্জিত হয়। কপিরাইটের জন্য নিবন্ধিত ২৭২টি গানের স্বত্ব বাবদ শিল্পীর পরিবার এই অর্থ পেল। এ ছাড়া আইয়ুব বাচ্চুর গানগুলো দুটি মোবাইল ফোন কম্পানি ও একটি স্থানীয় ওটিটি প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারের জন্য ‘গ্যাক মিডিয়া’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

চুক্তি অনুসারে গ্যাক মিডিয়া আইয়ুব বাচ্চুর পরিবারকে এককালীন পাঁচ লাখ টাকা হস্তান্তর করে। বাংলাদেশ কপিরাইট অফিসের উদ্যোগে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় আর্কাইভস ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আইয়ুব বাচ্চুর স্ত্রী ফেরদৌস আক্তারের হাতে অর্থের চেক তুলে দেওয়া হয়। কপিরাইটের জন্য নিবন্ধিত ২৭২টি গানের স্বত্ব বাবদ শিল্পীর পরিবার এই অর্থ পেল। কপিরাইট অফিসের রেজিস্ট্রার জাফর রাজা চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন কপিরাইট বোর্ডের চেয়ারম্যান সাবিহা পারভীন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শিল্পীদের ইতিহাস সংরক্ষণ করার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছি। আইয়ুব বাচ্চুর মতো শিল্পীদের অধিকার আজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, কিন্তু গ্রামের যে গায়ক-বাউল, যাঁদের একটি গানও নিবন্ধিত হয়নি, গান গাওয়ার অপরাধে যাঁদের চুল কেটে দেওয়া হয়, তাঁদের কী হবে!’ কে এম খালিদ আরো বলেন, ‘আমরা এরই মধ্যে সংগীত বীমা চালু করেছি, আগামী বছরের শুরুতেই হয়তো জীবন বীমা চালু করতে পারব। ’

ফেরদৌস আক্তার সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘আইয়ুব বাচ্চু সারা বাংলাদেশের কোটি মানুষের কাছে ছিলেন প্রিয় আইকন। তাঁর শূন্যতা পূরণ হওয়ার নয়। ’



সাতদিনের সেরা