kalerkantho

সোমবার ।  ১৬ মে ২০২২ । ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৪ শাওয়াল ১৪৪৩  

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে তোলপাড়

ওসমানীতে ১০ হাজার কোটি টাকার মেশিন পড়ে আছে!

সিলেট অফিস   

৬ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, ‘সিলেটের ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১০ হাজার কোটি টাকার যন্ত্রপাতি পড়ে আছে। অনেকগুলোর বাক্সও খোলা হয়নি। বাকি সব নষ্ট হয়ে আছে। ’ মন্ত্রীর এই বক্তব্য নিয়ে সিলেটজুড়ে শুরু হয় তোলপাড়।

বিজ্ঞাপন

তবে ওসমানী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, এ বিষয়ে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার সিলেট নগরীর জেলা পরিষদ মিলনায়তনে সম্মিলিত নাট্য পরিষদ আয়োজিত সিলেটের সংস্কৃতিচর্চা ও উন্নয়নবিষয়ক মতবিনিময় সভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সাংস্কৃতিক নেতাদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া এবং সারদা হলসহ কয়েকটি স্থাপনা সংস্কারের অনুরোধ জানালে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার সাহেব (ওসমানী হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ব্রায়ান বঙ্কিম হালদার) বলেছেন, তাঁদের হাসপাতালে ১০ হাজার কোটি টাকার ইকুইপমেন্ট (যন্ত্রপাতি) আছে। অনেকগুলোর বাক্সও খোলেননি। বাকি সব নষ্ট হয়ে আছে। ’

তিনি বলেন, ‘১০ হাজার কোটি টাকার সরকারি মাল পড়ে আছে মেইনটেন্যান্সের (রক্ষণাবেক্ষণ) কিংবা টেকনিশিয়ানের অভাবে। এ তো পত্রিকার হেডলাইন হওয়া উচিত। ’

তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ওসমানী হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ব্রায়ান বঙ্কিম হালদার। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমি এ রকম কিছু উনাকে বলিনি। বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝি। আমি বলেছি আমার হাসপাতালে পাঁচ থেকে ১০ হাজার কোটি টাকার যন্ত্রপাতি আছে। সেগুলো রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কিংবা বিকল হলে সারানোর জন্য নিজস্ব ইঞ্জিনিয়ার বা টেকনিশিয়ান নেই। ’

ফেরত গেছে শামসুদ্দিন হাসপাতালের ১০০ কোটি টাকা

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গাফিলতিতে সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালের জন্য বরাদ্দ দেওয়া ১০০ কোটি টাকা ফেরত যাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেছেন, ‘টাকা আনার পর কাজ না হওয়া খুবই দুঃখজনক। এর জন্য দায়ীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। ’



সাতদিনের সেরা